


রংপুর মেডিকেল কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে কুকুরের অবাধ বিচরণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে রাতের বেলায় বাথরুম বা ওয়াশরুমে যাতায়াতের সময় কুকুরের আক্রমণের আশঙ্কায় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হচ্ছে তাদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, ছাত্রী হোস্টেলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় প্রায়ই কুকুরের বিচরণ দেখা যায়। একই সঙ্গে কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভবনেও কুকুরের অবাধ চলাচল রয়েছে।
ফলে বিভিন্ন প্রয়োজনে ভবনগুলোতে যাতায়াত করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রাতে বাথরুম বা ওয়াশরুমে যাওয়ার সময় কুকুরগুলো ঘেউ ঘেউ করে তেড়ে আসে। অনেক সময় ওয়াশরুম ব্যবহারের পর কুকুর দরজার সামনে শুয়ে থাকে এবং অবিরাম ঘেউ ঘেউ করতে থাকে। এতে ভয়ে অনেকেই দীর্ঘ সময় বাইরে বের হতে পারেন না। কেউ কেউ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় বাথরুমেই অবস্থান করতে বাধ্য হন।
একাধিক শিক্ষার্থী জানান, বিষয়টি হোস্টেল কর্তৃপক্ষ এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ প্রশাসনকে একাধিকবার মৌখিকভাবে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে। শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, যেকোনো সময় কুকুরের কামড়ে বড়ো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তারা দ্রুত হোস্টেল এলাকা থেকে কুকুর অপসারণ, নিরাপত্তা জোরদার এবং শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।