1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন-বিধি প্রস্তাব চূড়ান্ত, যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন-বিধি প্রস্তাব চূড়ান্ত, যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬ জন দেখেছেন
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আইন-বিধি প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে, সেগুলো দ্রুত স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কমিশনের ১২তম সভা শেষে এ কথা জানান তিনি।

 

আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলার পরিষদের যে আইনগুলো আছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা রয়েছে।

তিনি জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। ঋণখেলাপী ও জামিনদাররাও প্রার্থী হিসাবে অযোগ্য হবেন। এছাড়া ইউটিলিটি বিল বকেয়া থাকলেও নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে অযোগ্য হবেন।

ইসি সচিব জানান, এসকল প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে কমিশন। দ্রুত আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

ইসি সচিব বলেন,  আইন প্রয়োগকারী সংস্থা- সবগুলোর আইনে এটা সেভাবে নেই। কাজেই আমরা মনে করি যে, সবগুলোর আইনে এটা যুক্ত করা উচিত। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি পারবেন না, এই বিষয়টা কমিশন মনে করে যে না, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য হন।’

 

তিনি বলেন, ‘ঋণখেলাপি বলে যে বিষয়টা আছে, এখানে দুটি ক্ষেত্র- একটা হচ্ছে বন্ধকদাতা এবং জামিনদার তো যিনি ব্যক্তিগতভাবে বন্ধকদাতা তিনি তো আছেনই। কিন্তু যারা তাদের জামিনদার হয়েছেন, তাদেরকেও ঋণখেলাপি হিসেবে প্রার্থী হিসাবে অযোগ্য করার একটা প্রস্তাবনা আমরা নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছি।’

সচিব বলেন, ‘পাশাপাশি বিলখেলাপি, যেমন ধরুন- আপনার ইলেকট্রিসিটি বিল, ভূমি কর, ওয়াসা— এ ধরনের যে সমস্ত সেবা প্রদানকারী সংস্থা, সেখানে যদি কোনো বিলখেলাপি থাকে, সেটা ব্যক্তিগত হতে পারে বা প্রাতিষ্ঠানিক হতে পারে। ধরুন আমি একটা প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার কিন্তু আমার প্রতিষ্ঠানটাই বিলখেলাপি করেছে, সেক্ষেত্রে এটা অযোগ্যতা হিসেবে আসবে।’

তিনি জানান, ‘লাভজনক পদে থেকে নির্বাচন করা যাবে না। আবার দ্বৈত নাগরিকত্বধারী যারা, তাদেরকেও আমরা মনে করি, কমিশন মনে করে যে, তাদেরও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। সংবিধানে এটার একটা সীমাবদ্ধতা দেওয়া আছে।’

ইসি সচিব বলেন, ‘আইন সংশোধনের বিষয়গুলো আমরা এখন স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রস্তাব পাঠাবো, তারা উপযুক্ত মনে করলে ব্যবস্থা নেবেন।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন কি আজই চূড়ান্ত করছেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা চূড়ান্ত করার এখতিয়ার রাখি না, আমরা আইনের কিছু প্রস্তাবনা বা সুপারিশ করছি। চূড়ান্ত করার দায়িত্ব তো স্থানীয় সরকার বিভাগ বা সংসদের।’

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে কি পরিবর্তন আসছে- এ ব্যাপারে এই ইসি কর্মকর্তা জানান, সবগুলোর ভেতরে সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করা। প্রস্তাবনা কবে পাঠাবেন- জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, ‘যত তাড়াতাড়ি পারি। কাল-পরশু তৈরি হয়ে গেলে পাঠিয়ে দেব।’

জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখন আমরা ১৬ বছর ও তদুর্ধ্বদের ডাটা কালেকশন করি এনআইডির জন্য বা ভোটার তালিকার জন্য। যখন একজন ১৮ বছরে পৌঁছান, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনি ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে যান। তার আগ পর্যন্ত এটা ডরম্যান্ট (থাকে।’

ইসি সচিব বলে, ‘এই ডাটা কালেকশনটা কোন লেভেল পর্যন্ত নামানো যায়- সেটা নিয়ে আরও কিছু পর্যালোচনার পরে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এটা এসএসসি নাকি ক্লাস এইট নাকি প্রাথমিক, যেটাই হোক না কেন, একটা তুলনামূলক বিবরণী অনুযায়ী পরবর্তীতে সিদ্ধান্তে আসব।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )