মরহুমের প্রথম জানাজার নামাজ মঙ্গলবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে গঙ্গাচড়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় জানাজার নামাজ বাদ মাগরিব বড়াইবাড়ি হাইস্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে এবং তৃতীয় জানাজার নামাজ রাত ৮টা ৩০ মিনিটে তাঁর নিজ বাড়ি বাগডহরা মুন্সিটারি জামে মসজিদ মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
জানাজার নামাজে রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
জানাজায় বক্তব্য দেন গঙ্গাচড়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা শহিদুল্লাহ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, রংপুর জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ এনামুল হক, জামায়াতে ইসলামীর গঙ্গাচড়া উপজেলা আমির মাওলানা নায়েবুজ্জামান, সাউথপাড়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রোকনুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গঙ্গাচড়া উপজেলা শাখার সেক্রেটারি ইউনুসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে মরহুমের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন, দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদান,ইসলামী আন্দোলনে তার অনস্বীকার্য ভূমিকা, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর দিক নির্দেশনার কথা স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, মাওলানা অলিউল্লাহর মৃত্যুতে গঙ্গাচড়াবাসী একজন অভিভাবক, প্রবীণ আলেম ও দ্বীনি শিক্ষার নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্বকে হারাল। তাঁর মতো ধর্মপ্রাণ আলেমে দ্বীনের শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, আত্মীয় পরিজন, অসংখ্য গুণগ্রাহী, সহকর্মী ও শিক্ষার্থী রেখে গেছেন।
এদিকে তাঁর ইন্তেকালে সহকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, স্থানীয় এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক প্রকাশকারীরা মহান আল্লাহ তাআলার কাছে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব, তাঁর রেখে যাওয়া একমাত্র ছেলে আব্দুল্লাহ যেন তাঁর চেয়েও বড় আলেমে দ্বীন হতে পারেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার- পরিজনকে এই শোক কাটিয়ে উঠার প্রার্থনা করেন।