


গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালি ইউনিয়নের উত্তর কাঠুর (জোরভিটা) গ্রামের স্কুল মাদ্রাসার সহকারী সুপার মাওলানা আতোয়ার রহমানের (৫৫) বিরুদ্ধে ১২ বছর বয়সী শিশুকে যৌন-নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক আতোয়ার রহমানের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী। এ সময় তারা ওই শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে নানা ধরনের মন্তব্য করেন । উল্লেক্ষ্য আতোয়ার রহমান রতনপুর রাহমানীয়া মাদ্রাসায় সহকারী সুপার হিসেবে কর্মরত আছেন।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালি ইউনিয়নের উত্তর কাঠুর (জোরভিটা) গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জলপাই দেওয়ার কথা বলে মানসিক প্রতিবন্ধী শিশু কে নানানভাবে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণেই মাঝেমধ্যেই তিনি শিশুকে বিভিন্ন অজুহাতে তার ঘরে ডেকে নিতেন এবং শারীরিক নির্যাতন এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালাতেন বলে অভিযোগে জানা যায়। সম্প্রতি শিশুর আচরণে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করলে শিশু সাথে কথা বলে ধর্ষণ এর কথা জানা যায়।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার এই নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবিতে স্থানীয় থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং অভিযুক্তকে আটক করেছেন পুলিশ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পরই আমরা দ্রুত অভিযুক্তকে আটক করেছি এবং ঘটনা তদন্ত করে দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”