


বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া রাজধানীর গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় পৌঁছানোর পর গাড়ি থেকে নেমে অল্প কিছু পথ হেঁটে বাসায় ঢুকেছেন। এ সময় তার দুই পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান ও সৈয়দা শর্মিলা রহমান তাকে হাঁটতে সাহায্য করেন। তবে, বাসার ভেতরে পৌঁছানোর পর তিনি আবার হুইল চেয়ারেই বসেন।
খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজার ভেতরে ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার। তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, তিনি অনেক ভালো আছেন। তিনি সুস্থ হয়ে আমাদের মধ্যে ফিরে এসেছেন। আমরা যতটা ভেবেছি, তার চাইতেও অনেক ভালো আছেন ম্যাডাম। দিদার আরও বলেন, আল্লাহর ইচ্ছা, চিকিৎসকদের চেষ্টা এবং দেশবাসীর দোয়ায় ম্যাডাম অনেকটা সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে এসেছেন। আমরা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি
ফিরোজার ভেতরে প্রিয় নেত্রীকে সালাম জানাতে ছিলেন ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মো. এজমল হোসেন পাইলট। তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের জনগণের জন্য একটি বটবৃক্ষের শীতল ছায়া। বারবার গণতন্ত্র যখনই হোঁচট খেয়েছে তিনি নিজের জীবন বাজি রেখে তা উদ্ধার করার লড়াইটা জারি রেখেছেন।
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি দলের সম্পত্তি নন, তিনি পুরো দেশের সম্পদ। দেশ ও জাতির মহান কল্যাণে পরম রাব্বুল আলামিন উনাকে হায়াত দান করুন। আজকে প্রিয় নেত্রীকে সুস্থ থেকে দেশবাসীর মতো আমাদের অনেক ভালো লেগেছে।
এর আগে বিমানবন্দর থেকে গুলশানের ফিরোজায় আসার সময় লাখ-লাখ নেতাকর্মী ফুল ছিটিয়ে খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানান। এ প্রসঙ্গে শামসুদ্দিন দিদার বলেন, লাখ-লাখ জনতা যেভাবে রাস্তার দুইপাশ থেকে ফুল ছিটিয়ে তাদের প্রিয় নেত্রীকে অভিবাদন জানিয়েছেন, সেটা ছিল এক অন্যান্য দৃষ্টান্ত এবং স্মরণীয়। ম্যাডামও হাত নেড়ে তাদের ভালোবাসার জবাব দিয়েছেন।