


নী
এ সময় ডিমলা-রংপুর প্রধান সড়কে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত-শত শিক্ষার্থী,শিক্ষক,অভিভাবক,এলা
এর আগে গত বৃহস্পতিবার(২৭ নভেম্বর)ডিমলা জেলা পরিষদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র ও সদর ইউনিয়নের রামডাঙ্গা গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে আল-আমিন (১৬)কে ওই বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র,বাবুরহাট গ্রামের বাবু বিশ্বাসে ছেলে নাসিম ইসলাম(১৮) ছুরি দিয়ে শরিরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যপরি আঘাত করে গুরুত্বর আহত করেন।এ সময় জড়িতদের পালিয়ে যেতে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত)আনোয়ার হোসেন,স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিস্কৃত নেতা রাব্বিসহ বেশি কিছু ব্যক্তি সহযোগিতা করেন।পরে আহত আল-আমিনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ডিমলা সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
বর্তমানে সেখানেই সে গুরুত্বর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার পরেরদিন আহত আল-আমিনের পিতা নুর ইসলাম বাদি হয়ে ডিমলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।দিন দুপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি পুলিশ সুপার(ডোমার-ডিমলা সার্কেল)নিয়াজ মেহেদী বলেন,এ ঘটনায় আমরা রাব্বি নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছি।প্রধান আসাসিকে গ্রেপ্তারে আমাদের একাধিক টিম কাজ করছে।আশা করি শীঘ্রই তাকেও গ্রেপ্তার করতে করতে সক্ষম হব।