ভুক্তভোগি কৃষক করিম শহিদ অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের শৌলমারী এলাকার মৃত এরশাদ আলীর ছেলে মো. সালাম, নুর ইসলাম ও মো. মিষ্টারের সঙ্গে কমির সহিদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় করিম সহিদকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিতেন অভিযুক্তরা। এরই জের ধরে শুক্রবার মধ্যরাতে আগাছা নাশক বিষ সরিষার ক্ষেতে স্প্রে করে ছিটানো হয়েছে। এ কারনে তার ৫৮ শতক জমির সকল সরিষা নষ্ট হয়েছে। এতে বড় ধরনের বড় ক্ষতি হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এঘটনার আগেও প্রকাশ্য দিনের মধ্যে দুই বার তার জমিতে সেচের মিটার ভেঙে ফেলেন ওই অভিযুক্তরা। ঘটনার সুষ্ঠুতদন্তের মাধ্যেমে বিচার চান ভুক্তভোগি ওই কৃষক।
শনিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার শৌলমারী এলাকার কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন জানা যায়, চলতি মৌসুমে ৫৮ শতক জমিতে প্রায় এক মাস আগে সরিষা রোপণ করেন শৌলমারী এলাকার কৃষক করিম শহিদ। ইতোমধ্যে সরিষার চারা গজিয়ে কিছুটা বড় হয়েছে। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ওই সরিষার ক্ষেতে আগাছা নাশক ছিটানো হয়েছে। এ কারনে ঝলসে গেছে সরিষা গাছের পাতা।
অভিযুক্ত মো. সালাম বলেন, করিম শহিদের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। সরিষা ক্ষেতে বিষ প্রয়োগের যে অভিযোগটি করেছেন, তা মিথ্যা। নিজেই ওই সরিষার জমিতে আগাছা নাশক স্প্রে করে আমাদেরকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওসার আলী বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।