1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
পাম্পে দীর্ঘ লাইন, ব্যহত জরুরি সেবা ও কৃষিকাজ | দৈনিক সকালের বাণী
বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন

পাম্পে দীর্ঘ লাইন, ব্যহত জরুরি সেবা ও কৃষিকাজ

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ২০ জন দেখেছেন

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তীব্র জ্বালানি সংকটে পেট্রোল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে জরুরি সেবা, কৃষিকাজ ও পরিবহন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজারহাট-তিস্তা সড়কের অদ্বিতা সুধি কানন ফিলিং স্টেশনসহ উপজেলার দু’টি পেট্রোল পাম্পে গিয়ে দেখা যায়, মঙ্গলবার ভোর থেকেই মোটরসাইকেল চালক ও বিভিন্ন যানবাহনের চালকেরা পেট্রোল ও ডিজেল সংগ্রহের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। সকাল ১০টার দিকে তেল সরবরাহ শুরু হলে মুহূর্তেই ভিড় বেড়ে যায়।

তবে সরবরাহ সীমিত থাকায় অনেকেই খালি হাতে ফিরে যান। গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি তেলের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। চলমান কৃষি মৌসুমে সেচ কার্যক্রমের জন্য ডিজেলের ওপর নির্ভরশীল শ্যালো মেশিন ও সেচযন্ত্রগুলো তেল সংকটে বন্ধ হয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এদিকে ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন, অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহনগুলোও পড়েছে বিপাকে। তেল সংকটের কারণে জরুরি সেবায় বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজারহাট পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “কয়েক দিন ধরে চেষ্টা করে আজ পেট্রোল পেয়েছি। তেল না থাকলে গ্রাহকদের কাছে সেবা পৌঁছানো সম্ভব হয় না।” ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মী জানান, “জ্বালানি সংকটের কারণে জরুরি প্রয়োজনে গাড়ি নিয়ে বের হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

মাঝপথে তেল শেষ হয়ে গেলে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে।” রাজারহাট বাজারের ব্যবসায়ী অপু বলেন, “ব্যবসা ফেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এতে সময় ও অর্থ-দুই-ই নষ্ট হচ্ছে।” পরিবহন চালকদের অভিযোগ, তেল না পেয়ে খালি গাড়ি নিয়েই চলে যেতে হচ্ছে। ফিলিং স্টেশন মালিকরা জানান, চাহিদার তুলনায় জ্বালানি সরবরাহ অর্ধেকেরও কম। একরাম ফিলিং স্টেশনের মালিক সাদেকুল হক নুরু এবং মেসার্স অদ্বিতা সুধী কানন ফিলিং স্টেশনের মালিক বুলু সরকার বলেন, “প্রতিদিন যেখানে ৫ থেকে ৬ হাজার লিটার জ্বালানি প্রয়োজন, সেখানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র প্রায় ৩ হাজার লিটার।

এতে চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।” এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অর্ন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, “জ্বালানি সংকটের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )