দিপালির ছোট বোন লাইজু বেগম বলেন, গত দুই বছর আগে জীবিকার তাগিদে আমার বোন লেবাননে যান। গত ৮ এপ্রিল সকালে তার সঙ্গে কথা হয়। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত এক মাস আগে লেবাননের চুড় এলাকা থেকে বৈরুত এলাকায় যান দিপালি। ওই সময় আপু জানিয়েছিলেন, চুড় এলাকায় যুদ্ধের দামামা বেশি, তাই সেখান থেকে তার মালিকের পরিবারসহ বৈরুত এলাকায় স্থানান্তরিত হয়। সেখানেই দিপালিসহ তার মালিক ও তার পরিবারের সদস্যসহ সাতজন নিহত হন। তারা যে ভবনে অবস্থান করছিল সেই ভবনেই বোমা হামলা হয়। তার মরদেহ ওই দেশের পুলিশের জিম্মায় রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চর হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সেক ফালু বলেন, দিপালির বাড়ি মুন্সিরচর গ্রামের নওয়াব আলীর দোকানের সামনে। তিনি বলেন, তাদের পরিবারটি খুব গরিব। পরিবারের অভাব ঘোচাতেই মেয়েটি বিদেশে গিয়েছিল। আমাদের চাওয়া যত দ্রুত সম্ভব তার মরদেহ যেন দেশে আনা হয়। চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া মমতাজ বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। আমরা আমাদের কূটনৈতিক চ্যানেলে মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।





















