এর আগে গত বৃহস্পতিবার থেকে দেশব্যাপী এই নিবন্ধন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। মন্ত্রী জানান, শুক্রবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে ৪৫ হাজার কৃষক কার্ড ইস্যু করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ড চালুর মাধ্যমে সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। তবে নিবন্ধনের সময় প্রত্যেক কৃষককে সঠিক তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভুল তথ্য দিলে ভবিষ্যতে সরকারি সেবা গ্রহণে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী নিবন্ধন বুথ ঘুরে দেখেন এবং কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই, অনলাইন নিবন্ধন ও তথ্য সংরক্ষণের বিভিন্ন ধাপ পর্যবেক্ষণ করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে যেন কোনো ধরনের হয়রানি, অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ না থাকে। প্রকৃত কৃষকদের তথ্য সঠিকভাবে সংগ্রহ করা নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেন, ‘দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরকারি সহায়তা সরাসরি প্রকৃত কৃষকের হাতে পৌঁছাবে। এতে কৃষি খাতে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা আরও বৃদ্ধি পাবে।’
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কৃষকের জমির পরিমাণ ও মালিকানার বিবরণ, চাষাবাদের ধরন, উৎপাদিত ফসল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
ভবিষ্যতে এই ডিজিটাল তথ্যভান্ডারের ওপর ভিত্তি করেই সরকারের সব ধরনের কৃষি উন্নয়ন কর্মসূচি, প্রণোদনা ও সহায়তা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুর রহিম, চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, চট্টগ্রাম জেলার উপপরিচালক আপ্রু মারমা, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ইলিয়াস, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।





















