অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদ্রাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আতোয়ার রহমানের বিরুদ্ধে নিয়োগ বানিজ্য,অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে প্রতিষ্ঠাতা দাতা সদস্য ও অভিভাবকের পক্ষে নুরুজ্জামান নামে একজনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে জেলা প্রশাসন| তদন্তে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে ২৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে
০৫.৫৫.৮৫০০.০০৪.০১.০০৭.২৪.১০২৪ স্মারকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ থেকে দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকতাকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের চিঠি দেয় জেলা প্রশাসক| চিঠি প্রাপ্তির পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিলে তিনি ২৯ এপ্রিল অধ্যক্ষকে দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশ প্রদান করে ২০২৬/৭৯১স্মারকে চিঠি দেন|
এরপর দীর্ঘ কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও প্রশাসসিক কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে| যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রাণহানীর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী|
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আতোয়ার রহমান বলেন, এ ব্যাপারে পূর্ণ তদন্ত চেয়ে আবেদন করেছি| তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন| তাই দায়িত্ব হস্তান্তর হরা হয়নি|
মাদ্রাসার ব্যবসস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হচ্ছে| বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে|