এদিকে বিক্ষোভের মুখে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে রাজ্য সিআইডি ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (জেপিএসসি) সাবেক চেয়ারপার্সন এল খিয়াংতেকেও গ্রেপ্তার করেছে। তিনি গত ২২ জুলাই পদটি থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।
এনডিটিভি জানিয়েছে, শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ জন্য প্রশাসন প্রধান প্রধান সংযোগস্থল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ব্যারিকেড বসিয়েছে।
যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ছাড়া আজ রাঁচির বেশিরভাগ স্কুল বন্ধ রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীতে শিক্ষার্থীদের ঢল ঠেকাতে পুলিশ জেলার সীমান্ত, প্রধান সড়ক ও মহাসড়কগুলোতে বাস ও ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।
ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (জেপিএসসি) এবং ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশনের (জেএসএসসি) বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে এ আন্দোলন শুরু হয়েছে। বিভিন্ন আন্দোলনকারী সংগঠন এবং সরকার-নিযুক্ত একটি প্যানেলের মধ্যে একাধিক আলোচনার পর আজকের এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব আলোচনার মাধ্যমে সরকার ১৬ দিন আগে শুরু হওয়া বিক্ষোভ প্রত্যাহার করতে শিক্ষার্থীদের রাজি করাতে ব্যর্থ হয়েছে। গতকাল অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ দফার বৈঠকেও কোনো সমাধান হয়নি। শিক্ষার্থীরা অনিয়মের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
রাজ্য সরকার দাবি করেছে, তারা শিক্ষার্থীদের দাবির ‘৯৮ শতাংশ’ মেনে নিয়েছে। সরকার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে।
তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, তারা ১৩টি পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সরকার এর মধ্যে মাত্র তিনটি পরীক্ষা বাতিল করতে রাজি হয়েছে। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে ছয়জন বিক্ষোভকারী অনশন ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছেন।
মুখ্যমন্ত্রী সোরেন এর আগে বিক্ষোভকারীদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র : এনডিটিভি

























