


এই দেশে ব্যাংক লুট, চিনি কল ধ্বংস, শিল্প-কারখানা বন্ধ সবকিছুর পেছনে এস আলম গ্রুপের মত লুটেরা গোষ্ঠীর হাত রয়েছে। তারা বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে ফোকলা করে দিয়েছে। এমন মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সেতাবগঞ্জ মিলক্লাবে চিনিকল পুনঃচালনা আন্দোলনের আয়োজনে সর্বস্তরের জনতার এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন,এই সেতাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী চিনি কলটি যাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, তারা লুটপাটের স্বার্থে তা বন্ধ করে দিয়েছে। দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে বিদেশে টাকা পাচারই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য। এটাই ফ্যাসিবাদী শাসনের আসল রূপ। তিনি দাবি করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেতাবগঞ্জ ও শ্যামপুর চিনিকল পুনঃচালনার জন্য যে বরাদ্দ রয়েছে, তা অবিলম্বে ছাড় করতে হবে।
একই সঙ্গে চারটি বন্ধ চিনিকলের সংস্কার কাজ দ্রুত শুরু করতে হবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর-২ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা বাচ্চু ভূঁইয়া, কৃষক সমিতি রংপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন, বোচাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সফিকুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল উদ্দীন, চিনিকল পুনঃচালনা আন্দোলনের আহ্বায়ক বদরুদ্দোজা বাপন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, “চিনিকল চালুর দাবিটি আজ শুধু শ্রমিক-কৃষকের নয়—এটা এখন জাতীয় দাবিতে রূপ নিয়েছে। সরকারকে স্পষ্ট করে দিতে চাই, এই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।