রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক রাজিব খান জানান, বুধবার সকাল ৬টায় এই তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয়েছে। জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে হিমেল হাওয়ার তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরের এই ঠাণ্ডা বাতাস কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
গত তিন দিন ধরে শহরে সূর্যের দেখা মিলছে না। কনকনে ঠাণ্ডা ও ঘন কুয়াশার কারণে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে শ্রমজীবী ও ছিন্নমূলরা কষ্টে পড়ছেন। অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত থেকে বাঁচার চেষ্টা করছেন।
শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব। শিশু ও বৃদ্ধরা ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেড়েছে।
কনকনে শীত উপেক্ষা করে পবা উপজেলা থেকে নাগরীতে এসেছেন সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, আগে যেখানে সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন কাজ পাওয়া যেত, এখন এই শীতে সপ্তাহে বেশিরভাগ দিন কাজ মেলে না।
রিকশাচালক জাকির আলী জানান, হুহু করে বাতাস বইছে, ঠান্ডা লাগছে। এখন খুব কষ্টে দিন কাটছে।
প্রতিদিন সন্ধ্যা নামার পরপরই নগরী ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। বিকেলের পরপরই বন্ধ হচ্ছে বেশিরভাগ দোকানপাট।
আবহাওয়া অফিস জানায়, মেঘ আর ঝিরিঝিরি বৃষ্টির প্রভাব কেটে গেলে শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে। কুয়াশার কারণে ঝিরিঝিরি বৃষ্টির অনুভূতি হয়। এতে রাজশাহীসহ উত্তর পশ্চিমের এলাকাগুলোতে এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন বিরাজ করবে।’