


কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে শনিবার রাতে প্রায় একই সময়ে পৃথক ৪ জায়গায় আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রায়গঞ্জ বাজারে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত মাদকাসক্ত পাগল যুবককে ধরে ইউপি চেয়ারম্যানের হাতে দিয়েছে এলাকাবাসী। আটক যুবক সাজু মিয়ার (২৫) বাড়ী ভুরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের বৈকুন্ঠপাড়া।
সে ওই এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে। জানা যায়, ২১ ফেব্রুয়ারী রাত ২ টার পরে রায়গঞ্জ বাজারে শহিদুলের চায়ের দোকানে আগুন লাগে। এটি প্রথম দেখতে পান পার্শবর্তী দোকানদার রাহিমুল ইসলাম। তার চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। পাশাপাশি খবর দেয়া হয় নাগেশ্বরী সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সে। দ্রুত তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তারা সেখানে থাকতেই খবর পান বাজারের অন্যপ্রান্তে রায়গঞ্জ স্কুলের পাশের জনৈক হাতেম আলীর বাড়ির খড়ের গাদায় আগুন দিয়েছে কে বা কাহারা।
এরপর দ্রুত তারা সেখানে গিয়ে আগুন নেভাতেই খবর পান রায়গঞ্জ বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে জনৈক বাবলুর বাড়ীর খড়ের গাদায় ও খড়ির গোলায় আগুন জ্বলছে। পরে সেখানেও দ্রুত তারা ছুটে গিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেন। এরপর তারা চলে আসার পর আগুন লাগে রায়গঞ্জ স্কুলের মাঠের পুর্বপ্রান্তে জনৈক হাসান আলীর বাড়ীর খড়ের গাদায়। এলাকাবাসী তা নিভিয়ে ফেলেন।
কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিস এর উপ-সহকারী পরিচালক এনামুল হক এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিস এর কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। রায়গঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম মন্ডল দ্বীপ বলেন ঘটনার আকষ্মিকতায় আমরা রাতেই বাজারের সিসি টিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করি। জানতে পারি সবগুলো জায়গায় আগুন লাগিয়েছে পার্শ্ববর্তী আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের মাদকাসক্ত পাগল যুবক সাজু মিয়া।
সে বাজারের চার জায়গায় আগুন দেয়ার পরে সোনাইর খামারে যায়। সেখানে একটি বাড়ীতে আগুন দেয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী আটক করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাগল যুবকটি চেয়ারম্যানের হেফাজতে ছিল।