1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
রাজশাহীতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট | দৈনিক সকালের বাণী
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন

রাজশাহীতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট

রাজশাহী প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ১০৬ জন দেখেছেন

রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে পেট্রল ও অকটেনের সংকট দেখা দেওয়ায় বাইকারদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। চাহিদামতো তেল না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন চালকেরা। কোথাও কোথাও তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় কয়েকটি ফিলিং স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধও হয়ে গেছে। যেসব স্টেশনে তেল রয়েছে, সেগুলোতে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় মোট ২৭৯টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। গত তিন দিন ধরে এসব স্টেশনে পেট্রল ও অকটেন সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

উত্তরের জেলা রাজশাহীতে তেল সংকটের বিষয়টি সামনে আসে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই। ওই দিন নগরীর বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশন বাইকারদের চাহিদামতো তেল দেওয়া বন্ধ করে দেয়। কোনো কোনো স্টেশনে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা এবং কোথাও ৫০০ টাকার তেল দেওয়া শুরু হয়। গতকাল শুক্রবারও একই চিত্র দেখা গেছে। সকাল থেকেই রাজশাহী নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে বাইকারদের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যায়।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার বাসিন্দা গোলাম রসুল জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তিনটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে তিনি মাত্র এক হাজার টাকার পেট্রল নিতে পেরেছেন। এর মধ্যে একটি স্টেশন থেকে ৫০০ টাকার এবং দুটি স্টেশন থেকে ২৫০ টাকা করে তেল নিয়েছেন তিনি। কোথাও চাহিদামতো তেল পাননি বলেও জানান তিনি।
শুক্রবার সকালে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এলাকার নয়ান ফিলিং স্টেশনে কথা হয় বাইকার সবুজ আহমেদের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রতিদিনই তার বাইক ব্যবহার করতে হয়। তাই বিভিন্ন পাম্পে ঘুরে তিনি বাইকের ট্যাংকিতে তেল ভরার চেষ্টা করছেন।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী বিভাগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল বলেন, ইরান যুদ্ধের প্রভাবের কারণে সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। গত তিন দিন ধরে ফিলিং স্টেশনগুলো চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছে না। ফলে পাম্পগুলো চাহিদামতো তেল বিক্রি করতে পারছে না। ইতোমধ্যে কয়েকটি ফিলিং স্টেশন তেল না থাকায় বন্ধ হয়ে গেছে। যেগুলোতে তেল রয়েছে, সেগুলোতে অল্প অল্প করে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়ায় তেল কেনার হিড়িক পড়ে গেছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, কেউ বাইক খুব একটা ব্যবহার না করলেও এসে এক হাজার টাকার তেল চাইছে। আবার যারা বেশি বাইক চালায় তারা একাধিক পাম্পে ঘুরে ট্যাংকি পূর্ণ করে বাড়িতে সংরক্ষণ করছে। এতে সংকটের বিষয়টি আরও তীব্রভাবে দৃশ্যমান হচ্ছে।

তবে পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি সংগঠনটির রাজশাহী বিভাগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )