জানা গেছে, রোববার ( ৫জুলাই) যোহরের নামাজের সময় মসজিদের সামন থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে। এর দুইদিন আগে গত শুক্রবার (৩ জুলাই) থানাহাট বাজার কাচাবাজারের সামন থেকে একটি ডিসকাভার মোটরসাইকেল ও ২৪ জুন উপজেলা পরিষদের ভিতর থেকে দিনদুপুরের একটি ডিসকাভার মোটরসাইকেল চুরি হয়ে গেছে। এটিকে এলাকাবাসী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি মনে করছেন।
এদিকে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও থানাপুলিশের চোর শনাক্ত কিংবা গাড়ি উদ্ধারে তেমন কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছেন হরিপুর ব্রিজ হওয়াতে সুন্দরগঞ্জের লোক এই ধরনের সুবিধা নিচ্ছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই চিলমারীর বিভিন্ন পয়েন্টে মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়েছে। এর ফলেই চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাতে চিলমারী ও থানাহাটের প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে পর্যাপ্ত পুলিশি টহল না থাকায় সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা।
স্থানীয় বাসিন্দা মেহেদী হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চিলমারীর মতো শান্ত এলাকায় মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে এতগুলো গাড়ি চুরি হয়ে গেল, যা ভাবাই যায় না। আমরা এখন নিজেদের মালামাল নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। দ্রুত চোর চক্রকে ধরা না হলে আমাদের কোনো নিরাপত্তা থাকবে না।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল জানান, চিলমারীতে একের পর এক চুরির ঘটনা এটাই প্রমাণ করে যে, এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা নাজুক হয়ে পড়েছে। দ্রুত এই আন্তঃজেলা চোর চক্রকে গ্রেপ্তার করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার জানান, নতুন কোন মামলা হয়নি, গতবছরের একটা মামলা আছে, ওটা নিয়ে কাজ করতে হবে। হরিপুর ব্রিজটি হওয়াতে সুন্দরগঞ্জের লোক এই সুবিধা নিচ্ছেন বলে যোগ করেন তিনি।