বুধবার বিকেলে উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের লালদীঘি মেলা হাটে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, ‘মেসার্স নূর ট্রেডার্স’ নামের ওই গোডাউনে ভ্যানযোগে সরকারি চালের বস্তা নেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি দেখে স্থানীয় দুই যুবক মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন। পরে তাঁদের গোডাউনের ভেতরে নিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, গোডাউনটির মালিক জামায়াত নেতা আব্দুল কাইয়ুম মিয়া সাবেক ইউপি সদস্য। তাঁর ছেলে নূর মোহাম্মদ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের নেতা হিসেবে এলাকায় পরিচিত। এ কারণে সরকারি চালের মতো সরকারি সম্পদ কীভাবে তাঁর বাবার ব্যক্তিমালিকানাধীন গোডাউনে গেল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, গোডাউনে থাকা চালগুলো সরকারি কোনো কর্মসূচির বরাদ্দ কি না, হলে সেগুলো কোথা থেকে এসেছে এবং কেন ব্যক্তিমালিকানাধীন গোডাউনে নেওয়া হচ্ছিলÑএসবের কোনো সদুত্তর এখনো মেলেনি।
গোডাউনটির মালিক আব্দুল কাইয়ুম মিয়া বলেন, আমি ১৭ বছর ব্যাবসা করতে পারিনি। এখন সময় এসেছে।
এদিকে সরকারি চালের বস্তা গোডাউনে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে গোডাউনটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।
পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আপাতত গোডাউনটি সিলগালা করে দিয়েছে । আগামীকাল খাদ্য বিভাগ যথাযথ যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করবে।