1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
গঙ্গাচড়ায় জমি জমার জেরে হামলা- বাড়ি ঘর ভাঙচুর, মালামাল লুটপাটের অভিযোগ, আহত - ২ জন  | দৈনিক সকালের বাণী
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪১ অপরাহ্ন

গঙ্গাচড়ায় জমি জমার জেরে হামলা- বাড়ি ঘর ভাঙচুর, মালামাল লুটপাটের অভিযোগ, আহত – ২ জন 

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৬ জন দেখেছেন
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট এবং বাড়ির জিনিসপত্র পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একই পরিবারের ভাই-বোনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহত দুজনকে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের কুড়িবিশ্বা কুঠিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে থানায় দেওয়া এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মো. বাদল মিয়া (২৮) গঙ্গাচড়া মডেল থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দিয়েছেন। এজাহারে জমি-জমা সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে বাড়িতে ঢুকে হামলা, মারধর, ভাঙচুর, লুটপাট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ রয়েছে ।
এজাহার সূত্রে জানা যায় , অভিযুক্তরা প্রথমে তাদের বসতভিটা থেকে বাড়িঘর সরিয়ে নেওয়ার জন্য হুমকি দেন। এতে প্রতিবাদ করলে তারা লাঠি, দা, ছুরি, লোহার রড ও কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায়।
হামলায় বাদী মো. বাদল মিয়া, তার বড় ভাই কাজল মিয়া ও বোন আয়েশা সিদ্দিকা আহত হন  । ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কাজল মিয়ার ডান হাতের আঙুলে কাটা জখম হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়  । একপর্যায়ে তাকে রশি দিয়ে গলা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে ।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলাকারীরা বাড়িঘরের টিনের বেড়া ও একটি ব্যক্তিগত গাড়ি ভাঙচুর করেন। পরে বাড়িতে থাকা বিভিন্ন মালামাল বের করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয় এবং ঘরে থাকা মালামাল লুটপাট করা হয়।
এ ছাড়াও হামলাকারীরা কাজল মিয়ার শয়নকক্ষে থাকা চালের ড্রাম থেকে ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে যায় । ভাঙচুর ও লুটপাটে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার সময় স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে এসে বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেন বলে এজাহারে চারজন সাক্ষীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে আহতদের গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার পর কাজল মিয়া ও আয়েশা সিদ্দিকাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তারা বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বাদী মো. বাদল মিয়া বলেন, বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির নাগরিক হওয়া স্বত্বেও আমি আজ  নিরুপায়,অসহায় । আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড সভাপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে এই হামলা ও প্রাণ নাশের হুমকির বিষয়ে আমি রাষ্ট্রের কাছে আমার ও পরিবারের সকলের নিরাপত্তা চাই। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে বিবাদী পক্ষের সাথে যোগাযোগ সম্ভব হলে, তাদের বক্তব্য যোগ করা হবে।
পরবর্তীতে বাদীর পক্ষে তার খালাতো ভাই থানায় এজার দাখিল করেন।
এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার পুলিশ আব্দুর ছবুর বলেন, বিষয়টি  গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )