মানববন্ধনে অংশ নেওয়া এলাকাবাসীর হাতে থাকা ব্যানারে দেখা যায় , কোলকোন্দ কুড়িবিশ্বা কুটিপাড়ায় জোরপূর্বক জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন হামলার স্বীকার হওয়া মাহমুদুলের আত্মীয় স্বজন । মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে সাজিজুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সাজিজুল ইসলামের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে । এ ঘটনায় সাজিজুল ইসলাম, তাঁর বড় ভাই মাহমুদুল ইসলাম, স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও ভাতিজা সোহেল মিয়া আহত হয়েছেন বলে তাঁর দাবী করেন । গুরুতর আহত মাহমুদুল ইসলাম রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ।
তারা দাবী করেন, তাদের জমিতে প্রতিপক্ষ বাদল মিয়া জোর পূর্বক টিউবওয়েল বসানোর করাণ জানতে চাইলে বাদল ও তার ভাইয়েরা লাঠি, দা, লোহার রড ও হাসুয়াসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা করে। একপর্যায়ে তাঁর মাহমুদুল ইসলামকে মাথায় আঘাত করা হয় এবং গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয় বলেও দাবী করা হয় ।
এছাড়া তাঁর স্ত্রীকে টানাহেঁচড়া করে লাঞ্ছিত এবং ভাতিজাকে মারধর করে।হামলাকারীরা বসতবাড়ির টিনের বেড়া ভাঙচুর করে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতি করেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা ।
এ ঘটনায় সাজিজুল ইসলাম বাদী হয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহারে বাদল মিয়া, কাজল মিয়া, নিশান মিয়া, মোছা. আতিকা বেগম ও মোছা. ফেন্সি বেগমকে আসামি করা হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জমি-জমা নিয়ে বিরোধ থাকলে তা আইনগতভাবে সমাধান করতে হবে। কোনো পক্ষ যাতে হামলা, ভাঙচুর বা ভয়ভীতি দেখিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকার দাবি করেন তারা । ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী উঠেছে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে ।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাদল হাসানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আপনাদের কাছে আমার জোর দাবী, আপনারা সত্য তুলে ধরে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ান।
এবিষয়ে অফিসার ইনচার্জ আব্দুর সবুর বলেন, সত্যতার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গৃহীত হবে।