তিনি বুধবার (২ এপ্রিল) বিকেল তিনটায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে নানাবিধ জটিল রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। তিনি মা, তিন ভাই, এক বোন, স্ত্রী ও একমাত্র কন্যা সন্তান রেখে গেছেন।
বুধবার রাত সাড়ে নয়টায় মরহুমের গ্রামের বাড়ি সৈয়দপুর উপজেলার তিন নম্বর বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর ব্রাহ্মনপাড়ার জমিদার বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর জানাজার নামাজে সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। পরে মরহুমকে তাঁর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
মরহুম রিয়াজুল হক লিটন ছিলেন সৈয়দপুর উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর ব্রাহ্মনপাড়া জমিদার বাড়ির বাসিন্দা মরহুম আমিনুল হকের জ্যেষ্ঠ পুত্র, সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট এস এম ওবায়দুর রহমান এর ভাতিজা এবং সৈয়দপুর লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক (সঙ্গীত) কমর মোস্তারী পারভেজ পাপড়ী’র স্বামী।
তাঁর মৃত্যুতে সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ মো. আব্দুল গফুর সরকার, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আকতার শাহীন, বিএনপির নেতা শফিকুল ইসলাম জনি, শওকত হায়াৎ শাহ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লোকমান, সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান কার্জন, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. রশিদুল হক সরকার, সাধারণ সম্পাদক শেখ বাবলু, লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. শফিয়ার রহমান সরকার, অধ্যক্ষ মো. মসিউল রহমান, লায়ন্স ক্লাব অব সৈয়দপুর এর সভাপতি জাকির হোসেন মেনন, লক্ষণপুর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল করিম রেজা, হাজারীহাট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. লুৎফর রহমান চৌধুরী, সানফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোখলেছুর রহমান জুয়েল, বাঙ্গালীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক এম আর আলম ঝন্টু, মো. আমিরুজ্জামান, মিজানুর রহমান মিলন, এম ওমর ফারুক, তোফাজ্জল হোসেন লুতু প্রমুখ শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।