


নীলফামারীর সৈয়দপুরে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি নির্মাণ কাজে বাঁধা প্রদান ও মালামাল লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার (৫ মে) বেলা ১১টায় শহরের নতুনবাবুপাড়া পৌরসভা সড়কের বাসিন্দা ব্যবসায়ী মো. মোস্তফা এক সংবাদ সম্মেলন করে ওই অভিযোগ করেন। ব্যবসায়ী মো. মোস্তফার মালিকানাধীন সৈয়দপুর বিসিক শিল্প নগরীতে অবস্থিত গাউসিয়া ফ্লাওয়ার মিলে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে শহরের মেসার্স গাউসিয়া মেজর অটোমেটিক ফ্লাওয়ার মিলস’র স্বত্বাধিকারী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. মোস্তফা লিখিত বক্তব্যে বলেন, ইতিপূর্বে তিনি নীলফামারী জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ সভাপতির পালন করেন। বর্তমানে সৈয়দপুর বিসিক শিল্প মালিক সমিতির সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। শহরের নতুন বাবুপাড়াস্থ পৌরসভা সড়কে তাঁর একটি দ্বিতল বাড়ি রয়েছে। তিনি সেখানে দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর যাবৎ পরিবার পরিজন নিয়ে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে বসবাস করে আসছেন।
তাঁর বাড়ি উত্তর পাশে সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত সম্পত্তি রয়েছে। বর্তমানে ওই সরকারি খাস জায়গায় ও অবকাঠামোতে রোটারি ক্লাব অব সৈয়দপুর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যদিও ওই জায়গা রোটারি ক্লাবের কিংবা অন্য কোন ব্যক্তির নামে সরকারিভাবে বন্দোবস্ত নেই। আর সরকারি খাস সম্পত্তি ঘেঁষে তাঁর ছেলে মো. সারফারাজ এর নামে ক্রয়কৃত সাত শতক জায়গায় রয়েছে। যার খারিজ, খতিয়ান, বিএস তাঁর ছেলের নামে হালনাগাদও রয়েছে। এমনকি ওই জায়গাটি বেসরকারি একটি ব্যাংকের শাখার অনুকূলে মর্টগেজ দেওয়া রয়েছে।
সংবাদ সম্মেললে ব্যবসায়ী মোস্তফা বলেন, তিনি তাঁর ছেলের নামে থাকা জায়গায় বাড়ি নির্মাণের উদ্দেশ্যে সৈয়দপুর পৌরসভা থেকে একটি নকশা অনুমোদন করেছেন ইতিমধ্যে। এরপর গত ২৩ এপ্রিল বাড়ি তৈরির জন্য টিনের বেড়া দিয়ে সীমানা ঘিরে নিয়ে নির্মাণ সামগ্রী মজুদ করতে থাকেন। এ সময় একই এলাকার হাজী মো. আফতাব আলম জুবায়ের এমাদির ছেলে মো. মোবাশ্বের আলম প্রিন্স এমাদি তাঁর জায়গার চারিদিকে সীমানা নির্মাণ কাজে বাঁধা দেন। সেই সঙ্গে সীমানা ঘেরাওয়ের কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের ওপর চড়াও তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয় এবং কিছু বখাটেদের নিয়ে আমার নির্মাণ কাজের মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।