
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0;
brp_mask:0;
brp_del_th:null;
brp_del_sen:null;
delta:null;
module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 128;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 45;

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শুকুরেরহাট ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছিল স্থানীয় প্রভাবশালীরা। এতে মাদরাসাসহ আশেপাশের তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাসহ পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে গত ৫ মে দৈনিক সকালের বাণীতে সংবাদ প্রকাশের পর সোস্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠে। অবশেষে ইউএনওর উদ্যোগে রাস্তাটি অবমুক্ত করায় প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও বিকাশ চন্দ্র বর্মন। খুশি শিক্ষক শিক্ষার্থীরাসহ স্থানীয়রাও।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ইউএনও বিকাশ চন্দ্র বর্মন ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে রাস্তা অবমুক্ত করার কাজ পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় পুলিশসহ স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সরেজমিনে জানা গেছে, উপজেলার মোসলেমবাজার হতে রংপুর দর্শনামুখি রাস্তার সাথে সংযুক্ত শুকুরেরহাট ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার যাতায়াতের একটি হেরিংবন রাস্তা রাস্তা রয়েছে। এই পথে পাশের আরও দুটি প্রতিষ্ঠান শুকুরেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শুকুরেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরাও যাতায়াত করেন। এছাড়াও রাস্তাটি উপজেলার প্রচীনতম ব্যবসাকেন্দ্র শুকুরেরহাটের সাথেও সংযুক্ত।
গত প্রায় ১ মাস আগে গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা লেলিন তার ভাইদের উষ্কে দিয়ে বালু ফেলে বন্ধ করে দেন। এতে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে লেলিন ও তার ভাই আব্দুল হাকিম স্থানীয় প্রভাবশালীদের সাথে নিয়ে এই অমানবিক কাজ করেন। তারা দাবি করেন, বালু ফেলে দখলে নেওয়া জায়গাটা তাদের পৈতৃক সম্পত্তি। কিন্তু গত ৫০ বছর ধরে রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করে আসছিলেন তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও জনসাধারণ। হঠাৎ রাস্তাটি বন্ধ করায় সর্বস্তরে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষার্থীরা। সেই অভিযোগ, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সুত্রে ঘটনাস্থলে এসে বন্ধ রাস্তাটি অবমুক্ত করেন ইউএনও।
শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা অনেক কষ্ট করে মাদরাসায় যাতায়াত করছিলাম। আজ সমস্যার সমাধান হওয়ায় আমরা খুশি এবং আমাদের যে আন্দোলন করার কথা ছিল। আর প্রয়োজন নেই, কারণ ইউএনও স্যার বিষয়টি দেখছেন।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোকছেদুল ইসলাম মকুলসহ অনেকেই জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। ইউএনও স্যার এই রোদের মধ্যেও দাড়িয়ে থেকে জনস্বার্থে যে কাজ করলেন সেটা নিশ্চয়ই প্রসংসার দাবি রাখে। কাজ করতে দায়িত্ববোধের পাশাপাশি মানবিকতার যে পরিচয় ইউএনও স্যার দিয়েছেন সেটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
মাদরাসার অধ্যক্ষ ফজলুল হক বলেন, মাদরাসাটি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই রাস্তাটি দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা চলাচল করে আসছে। বন্ধ রাস্তা অবমুক্ত হওয়ায় ইউএনও স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিকাশ চন্দ্র বর্মন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াত করা একটি রাস্তা বন্ধ করা আইনবিরোধী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং জনস্বার্থে বিষয়টি অধিকতর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কেউ রাস্তা বন্ধ করতে পারবেনা। বাঁধা দিলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Related