


সাঘাটা উপজেলার কামালের পাড়া গ্রামের সিএনজি চালক মাহবুবুর রহমান জানান, এই রাস্তা নয় এটি মরন ফাদ । গত ১ মাসের ছোট বড় ৫০টির বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে । এই রাস্তাটির শতাধিক গর্তে প্রতি প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘ টনা ।
বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার গরুর পাইকার মালেক উদ্দিন জানান, আমরা এই রাস্তা দিয়ে গরু গাড়ীতে করে নিয়ে যাচ্ছিলাম সড়কের মাঝ পথে গাড়ী উল্টে গিয়ে আমার দুটি গরু আহত হয় দুদিন পরে গরু দুটি মারা যায়।এই রাস্তাটি ঝুকিপুর্ন যে কোন সময় ঘটে দুর্ঘটনা ।
বীরমুক্তিযোদ্ধা আজহার আলী জানান, এই সড়কটিতে চলাচল করতে গেছে অনেক ভয় হয় । বছর খানের আগেই এই সড়কে দুর্ঘটনায় এক সাংবাদিকের একটি পা ভেঙ্গে যায় । আসলে এই সড়কটি মেরামত করতে কেউ এগিয়ে আসছে না । সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে সাঘাটার বাশহাটা থেকে জুমারবাড়ি পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি সংস্কারের ২৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পগ্রহণ করে। প্রথমে বাঁধের পাশ থেকে মাটি তুলে সংস্কার করা হলেও পরবতীর্তে যমুনা নদী থেকে বালু এনে সংস্কার করা হয়। তবে, বাঁধের পাশের মাটি কেটে বাঁধে দেওয়ায় বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
সাঘাটা স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) র প্রকৌশলী নয়ন রায় জানান, এই রাস্তাটি বাধ সংলগ্ন । এটি দেখার দায়িত্বপানি উন্নয়ন বোর্ডের তারা এটি মেরামত করবেন।
এদিকে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) র নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুল হক বলেন, বৃষ্টির কারণে বাঁধটির ক্ষতি হয়েছে এবং ইতোমধ্যে এটির সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। এটির পরবর্তি দায়িত্ব এলজিইডিকেই নিতে হবে। আগে বাধের দুই পাশ দিয়ে পানি নামতো এখন বাধটির এক উচু করায় পানি এক দিক দিয়ে নামে তাই এলজিইডি ড্রেন নির্মান করে সড়কটি রক্ষা করতে পারে ।