মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর থেকে এসব ত্রাণ সামগ্রী ও অর্থ বিতরণ করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাওলা ইউপি চেয়ারম্যান নাজির হোসেন, ইউপি সদস্য আব্দুল আখের ও মশিয়ার রহমান প্রমুখ।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চলমান বন্যা ও ভাঙনে উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের শিবদেবসহ আশপাশের এলাকায় শতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। শুধু শিবদেব গ্রামেই সাম্প্রতিক ভাঙনে কমপক্ষে ৪৯টি বসতবাড়ি, একটি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা ও একটি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তিস্তার ভাঙনে হারিয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানান, তীব্র স্রোত ও অব্যাহত ভাঙনের কারণে অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে, আবার কেউ কেউ আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।
ত্রাণ সহায়তা পাওয়া মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, ‘নদী ভাঙনে সব হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে আছি। এই ঢেউটিন আর টাকা দিয়ে অন্তত সাময়িকভাবে থাকার ব্যবস্থা করতে পারব।’
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ওসমান গনি বলেন, ‘সরকার আমাদের দিকে হাত বাড়িয়েছে, এজন্য ধন্যবাদ। তবে স্থায়ী বাঁধ হলে আর কেউ গৃহহীন হবে না।’
ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। তাদের মতে, সাময়িক সহায়তা জরুরি হলেও দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ ব্যবস্থা না হলে প্রতিবছর একইভাবে ক্ষতির মুখে পড়বেন তারা।