1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
 থাই ভিসা প্রত্যারণায় এখন কোটিপতি রিক্সা চালক আরিফুল | দৈনিক সকালের বাণী
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন

 থাই ভিসা প্রত্যারণায় এখন কোটিপতি রিক্সা চালক আরিফুল

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬৭ জন দেখেছেন
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের কোটিয়াল পাড়া গ্রামের সিদ্দিকের ছেলে আরিফুল থাই ও ভিসা প্রতারণা করে রাতারাতি যেন আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হওয়ার মত হয়েছেন প্রবাসীদের কৌশলে ফাঁদে ফেলে প্রত্যারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি টাকা।
 খোঁজ নিয়ে জানা গেছে দীর্ঘদিন ধরে থাই ও ভিসা দেওয়ার নামে বাংলাদেশী প্রবাসীদের কাছ থেকে প্রত্যারণা করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে রিস্কা চালক আরিফুল এখন কোটিপতির তালিকায়।
 অনুসন্ধানে জানা গেছে মাধ্যমিকের গণ্ডি না পেরিয়ে অভাবের তাড়নায় ঢাকা শহরে চালাতে হয়েছে রিস্কার প্যান্ডেল এরই মধ্যে আলাদিনের চেরাগের মতো হাতে পেয়ে যান থাই নামক লটারিও ভিসা প্রতারনার সন্ধান । এরপরে শুরু করেন বাংলাদেশি প্রবাসীদের ফাঁদে ফেলে প্রত্যারণার কাজ । বনিয়ে হাতিয়ে নেন লক্ষ লক্ষ টাকা।
 তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে দুই বছর আগে এই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা  স্বীকার করে বলেন আমি আর প্রতারণা করি না এরপর  মোবাইল নাম্বার চেয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন । স্থানীয়ভাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন সিদ্দিক একজন গরিব মানুষ ছিল তার তিন ছেলে এক মেয়ে অন্যের জমিতে কৃষি কাজ করে সংসার চালাতেন । এখন তার ছেলে দুই বছর আগেও রিক্সা চালাতেন ঢাকায়, শোনা যায় প্রতারণা করে এখন কোটিপতি গাড়ি-বাড়ি গরুর খামার জমি জায়গা অনেক কিনেছেন এবং ১০-১২ বিঘা জমি ও বন্ধক নিয়েছেন।
নিতাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুত্তাকিনুর রহমান আবুর কাছে থাই জুয়া ও ভিসা প্রতারণার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলা নিতাই ইউনিয়নকে প্রতারক চক্রের কারখানা হিসেবে উপাধি দিয়েছে তবে ঘটনা সত্য । এই ইউনিয়নে সকল শ্রেণী পেশার অধিকাংশ মানুষ  এখন  আয় রোজগারের একটি অংশ হিসেবে প্রতারণাকে পেশায় পরিণত করেছেন । আমরা সর্বস্তরের লোক ক্ষোভ  প্রকাশ করছি
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল ইসলাম জানান সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা প্রমাণ না থাকার কারণে আমরা সেভাবে অভিযান দিতে পারছি না। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )