1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ঝুঁকিপূর্ণ হলেও ছাড়েননি পৈতৃক পেশা, মধু সংগ্রাহক আ. খালেক | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন

ঝুঁকিপূর্ণ হলেও ছাড়েননি পৈতৃক পেশা, মধু সংগ্রাহক আ. খালেক

সুলুতান মাহমুদ, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর)
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৭৭ জন দেখেছেন

গ্রামের উঁচু গাছের ডাল, বাড়ির ছাদের সানসেট কিংবা গভীর বনের গাছে ঝুলে থাকা মৌমাছির চাকে ধোঁয়া দিয়ে মৌমাছি তাড়িয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মৌচাক সংগ্রহ করেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার বিনোদনগর ইউনিয়নের পলিরামদেবপুর গ্রামের আ. খালেক। এরপর সেই চাক থেকে সংগ্রহ করেন খাঁটি প্রাকৃতিক মধু। স্থানীয়ভাবে এ পেশার মানুষদের বলা হয় মৌয়াল। কালের বিবর্তনে মৌয়ালদের সংখ্যা কমে এলেও আ. খালেক এখনো এ ঐতিহ্যবাহী পেশা ধরে রেখেছেন। পেশার শুরু তার বাবার হাত ধরে।

বাবা আজীবন এ কাজে নিয়োজিত ছিলেন। বাবার কাছ থেকে শেখা কৌশল দিয়েই গত ১০ বছর ধরে পেশায় টিকে আছেন খালেক। তিনি জানান, যাদের বাড়িতে বা গাছে মৌচাক হয়, তারাই খবর দেন। কোনো সুরক্ষার পোশাক ছাড়াই সহজেই চাক কেটে আনেন তিনি। সংগ্রহ করা মধুর অর্ধেক পান তিনি, বাকি অর্ধেক থাকে বাড়ির মালিকের। ওই মধুই বিক্রি করে চলে তার সংসার। মাসে গড়ে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আয় হয়। তবে শীতকালে চাকগুলোতে মধু কম থাকায় আয়ও কমে যায়। আঃ খালেক বলেন, “অনেককে এ পেশায় আনার চেষ্টা করেছি।

কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় কেউ আগ্রহ দেখায়নি। ফলে এ পেশা ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তবুও আমি খুশি, কারণ মানুষকে খাঁটি মধু খাওয়াতে পারছি।” এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস বলেন, “খাঁটি মধু মানব শরীরের জন্য খুব উপকারী। স্থানীয় মৌয়ালরা যেভাবে ঝুঁকি নিয়ে মধু সংগ্রহ করছেন, তা প্রশংসনীয়। তবে নিরাপত্তার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত। আমরা চাই আধুনিক পদ্ধতিতে মৌচাষ বাড়ুক। সেই লক্ষ্যে উপজেলা কৃষি অফিস কাজ করে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )