


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, উপর থেকে যখন নির্দেশ আসবে, তখন সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। অন্য দল যা-ই বলুক, তাতে কোনো লাভ হবে না। দেশের জনগণ ধানের শীষ পছন্দ করে। তাই জনগণেকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে হবে এবং ধানের শীষ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, চুয়াডাঙ্গার মানুষ যখনই ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছে, তখনই তাকে বিজয়ী করেছে। তিনি ধানের শীষকে মাওলানা ভাসানী, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান নেতা তারেক রহমানের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ প্রতীকই এখন যুবসমাজ ও দেশের সাধারণ মানুষের সবচেয়ে প্রিয় প্রতীক।
দুদু বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি দেশে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, ভোটাধিকার এবং কৃষক-শ্রমিক-খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন, দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখবেন। কেউ অতিরিক্ত আকাঙ্ক্ষা করবেন না। ঘরে বসে থাকলে চলবে না- মানুষের দ্বারে দ্বারে যেতে হবে, ভোট চাইতে হবে। দেশের জনগণের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে তাদের সমর্থন প্রয়োজন- এটা বুঝাতে হবে।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আশরাফ বিশ্বাস মিল্টু, সহ-সভাপতি আরিফুজ্জামান পিন্টু ও মাগরিবুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পিনু মুন্সি, রবিউল মল্লিক ও অপূর্ব সাহা, সাবেক যুবদল নেতা ফারুক মল্লিক, রমজান, আক্তারুজ্জামান আক্তার, আজাদুর রহমান আজাদ, সদস্য রকি, ওয়াজিউর রহমান মানিক, মামুন মল্লিক, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এমএইচ মোস্তফা, আলমডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসান হাবীব মুক্তি, সাধারণ সম্পাদক এমএ তালহা, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুনজুরুল জাহিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান ও মোহাম্মদ আলী আশরাফ রনি, জেলা যুবদল সদস্য সামিউল আলীম রকি, অমিত হাসান রবিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভা শেষে উপস্থিত নেতাকর্মীরা আসন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ থেকে দলের পক্ষে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।