


চীনের চংকিনে এএফসি অ-১৭ বাছাই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের জয়রথ অব্যাহত। আজ বাহরাইনকে ২-১ গোলে হারিয়েছে যুবারা। বাংলাদেশের হয়ে বায়েজিদ ও মানিক একটি করে গোল করেছেন।
৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ-চীন দুই দলের ম্যাচটি গ্রুপের অঘোষিত ফাইনাল। বাংলাদেশ স্বাগতিক চীনকে হারাতে পারলে পুরুষ বয়স ভিত্তিক পর্যায়ে এশিয়ার শীর্ষ স্তরে খেলবে। চীন আজ শ্রীলঙ্কা হারালে পরের ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ড্র করলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে। কারণ পয়েন্ট ও হেড টু হেড সমান হলে গোল ব্যবধানে তারা এগিয়ে থাকবে।
বাংলাদেশ প্রথম তিন ম্যাচ তিমুরলেস্তে, শ্রীলঙ্কা ও ব্রুনাইয়ের সঙ্গে বেশ সহজেই জিতেছিল। তিন ম্যাচে ১৮ গোল করেছিল। আজ অবশ্য বাহরাইনের বিপক্ষে জয় পেতে বেশ কষ্টই হয়েছে ফয়সালদের। প্রথমার্ধে বাংলাদেশ একাধিক ফ্রি-কিক ও কর্নার পেলেও কোনোটিই গোল করতে পারেনি। ২০ ও ২৮ মিনিটে রিফাত কাজী দু’টি গোলের সুযোগ মিস করেন। ৩৪ মিনিটে বাংলাদেশের গোলরক্ষক একটি ভালো সেভ করেন। পরবর্তীতে ডিফেন্ডার কামাল গোললাইন থেকে বল ক্লিয়ার করে দলকে গোল খাওয়া থেকে রক্ষা করেন।
৬৮ মিনিটে ফয়সালের নিখুঁত ক্রসে রিফাতের শট বাহরাইনের গোলরক্ষক আরেকবার দারুণ সেভ করেন। ৭২ মিনিটে ফয়সাল অসাধারণ একটি পাস দেন মানিককে। মানিক বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দুর্দান্ত একটি লম্বা শটে দর্শনীয় গোল করেন। ৮৫ মিনিটে হোসেন জুবায়ের বাহরাইনের হয়ে একটি গোল করেন। ম্যাচের বাকি সময় বাংলাদেশ সর্তকতামূলক ফুটবল খেলে। এতে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে সক্ষম হয়।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ জিতে বাংলাদেশ অ-১৭ দলের হেড কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন বেশ উচ্ছ্বসিত। তিনি চীন থেকে এক ভিডিও বার্তায় বলেন,’আজ আমাদের কঠিন ম্যাচ ছিল। বাহরাইন অনেক শক্তিশালী দল, তাদের ফুটবল ঐতিহ্য ভালো। তাদের বিপক্ষে আমাদের ছেলেরা জয়লাভ করে ইতিহাস তৈরি করল। শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ও ভালো ফুটবল খেলেছে। প্রথমার্ধে গোল না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়। অনেক সুযোগ তৈরি করে, দুই গোলে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে এক গোল হজম করলেও সাহস এবং ধৈর্য্যর সঙ্গে খেলা শেষ করেছে। এজন্য ছেলেদের ধন্যবাদ জানাই।’