


আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের নয়জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীই প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় নেমে পড়েছেন। উত্তর জনপদের নীলফামারী জেলার ছয়টি উপজেলা নিয়ে জাতীয় সংসদের চারটি সংসদীয় আসন। এর মধ্যে একটি হচ্ছে নীলফামারী- ৪ (সৈয়দপুর- কিশোরগঞ্জ) আসনটি।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা চার লাখ ৫১ হাজার ৮১৪ জন। এদের মধ্যে নারী ভোটার দুই লাখ ২৫ হাজার ৮৪ জন এবং পুরুষ ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ২৬ হাজার ৭২৫ জন। এছাড়াও পাঁচজন হিজড়া ভোটার রয়েছেন। এবারে এ আসনটিতে মোট নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়েছেন।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হচ্ছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র মো. আব্দুল গফুর সরকার (প্রতীক ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আব্দুল মুনতাকিম (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পাটির (এরশাদ) মো. সিদ্দিকুল আলম (লাঙ্গল),ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শহিদুল ইসলাম (হাতপাখা), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মো. মাইদুল ইসলাম (কাঁচি), বাংলাদেশ জাতীয় পাটির মির্জা মো. শওকত আকবর রওশন (কাঁঠাল), স্বতন্ত্র মো. রিয়াদ আরফান সরকার (ফুটবল), এস এম মামুনুর রশিদ (মোটরসাইকেল) ও জোবায়দুর রহমান হীরা (ঘোড়া)।
২১ জানুয়ারি নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক নীলফামারী-৪ আসনের উল্লিখিত মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা তাদের প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন। প্রার্থীরা দলীয় নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে স্বশরীরে নির্বাচনি এলাকার ভোটারদের কাছে ছুুুঁটে যান।
এ সময় তাঁরা ভোটারদের সঙ্গে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করে নিজের প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন। এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চেয়ে সকাল থেকে মাইকেও প্রচার প্রচারণা শুরু হয়। এতে করে গোটা নির্বাচনি এলাকায় ভোটের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। গোটা নির্বাচনি এলাকার পাড়া মহল্লা, রাস্তাঘাট, ফুটপাতের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অভিজাত হোটেল রেস্তোরাঁ সর্বত্র এখন একটিই বিষয় নিয়েই ব্যাপক আলাপ আলোচনা হচ্ছে। আর তা হলো আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে। এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে চুল ছেঁড়া বিচার বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।