গত ২১ জানুয়ারী কারণ দর্শানো নোটিশটি নীলফামারী-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. সিদ্দিকুল আলমকে এবং ২২ জানুয়ারী বিএনপির প্রার্থী মো. আব্দুল গফুর সরকার ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল মুনতাকিমকে প্রদান করা হয়েছে। ওই নোটিশে তিন সংসদ সদস্য প্রার্থীকে সন্তোষজনক জবাব আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের বরাবরে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা- ২০২৫ এর বিধি ১৮ মোতাবেক কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাহাদের পক্ষে কোন ব্যক্তি ভোট গ্রহনের জন্য নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ পূর্বে কোন রকম নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করতে পারবেন না।
কিন্তু জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. সিদ্দিকুল আলম ওই নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘণ করে গত ২০ জানুয়ারী সৈয়দপুর উপজেলায় রেলওয়ে মাঠে সৈয়দপুর প্রিমিয়ার লীগ -০৩ টুর্নামেন্টের অনুষ্ঠানে ভোট চাওয়ায় নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছেন।
একই বিধিমালার বিধি-৭ (চ) মোতাবেক দফা (ঙ) মোতাবেক কোন প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থী তাঁর নির্বাচনি প্রচারণার ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি ছাপাইতে পারিবেন মর্মে উল্লেখ থাকিলেও বিএনপির প্রার্থী মো. আব্দুল গফুর সরকার এ বিধি লঙ্ঘণ করেছেন।
অপরদিকে, একই বিধিমালার বিধি-৭ (ঙ) মোতাবেক ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যতীত নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন সাদা-কালো রঙয়ের হইবে উল্লেখ থাকলেও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল মুনতাকিম রঙ্গিন লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ব্যবহার করে নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘণ করেছেন বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে নীলফামারী- ৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুল মুনতাকিম জানান, যেহেতু অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী রিটার্নিং অফিসার এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে। তাই আমি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কারণ দর্শানো নোটিশের সন্তোষজনক জবার দিবো।