1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
হাঁসের ডিম থেকে সোনালি রাজহাঁস : ক্রিকেটে ডাকের যত ধরন | দৈনিক সকালের বাণী
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন

হাঁসের ডিম থেকে সোনালি রাজহাঁস : ক্রিকেটে ডাকের যত ধরন

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯২ জন দেখেছেন

ডাক অর্থ কী? হাঁস। কিন্তু ক্রিকেটে ‘ডাক’ বলতে একজন ব্যাটারের শূন্য (০) রানে আউট হওয়াকে বোঝায়। অর্থাৎ, কোনো রান করার আগেই যদি কোনো ব্যাটার তার উইকেট হারান, তবে তিনি ‘ডাক’ মেরেছেন বলা হয়। ‘ডাক’ শব্দটি মূলত ‘ডাক’স এগ’ বা হাঁসের ডিম থেকে এসেছে। স্কোরকার্ডে যখন কোনো ব্যাটারের রানের ঘরে ‘০’ লেখা হয়, তখন সেটি দেখতে অনেকটা হাঁসের ডিমের মতো লাগে। ১৮৬৬ সালে প্রিন্স অফ ওয়েলস বা সপ্তম এডওয়ার্ড একটি ম্যাচে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর প্রথমবার সংবাদপত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছিল। ডাকের আবার বিভিন্ন ধরন রয়েছে, যা নির্ভর করে কোন বলে, কোন ইনিংসে বা কোন পরিস্থিতিতে আউট হয়েছে তার ওপর। ক্রিকেটে রয়েছে ১০ ধরনের ডাক, সেগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

ডায়মন্ড ডাক: যখন একজন ব্যাটার কোনো বল মোকাবিলা না করেই শূন্য রানে আউট হন। এটি অত্যন্ত বিরল এবং কেবল দুটি ক্ষেত্রে ঘটে: রান-আউট অথবা টাইমড-আউট। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস টাইমড-আউট হয়েছিলেন, যা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।
গোল্ডেন ডাক: যখন একজন ব্যাটার তার ইনিংসের একেবারে প্রথম বলেই আউট হয়ে যান। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের বর্তমান সিরিজে অভিষেক শর্মা দুইবার এভাবে আউট হয়েছেন।
সিলভার ডাক: একজন ব্যাটার যখন তার খেলা দ্বিতীয় বলে শূন্য রানে আউট হন, তখন তাকে সিলভার ডাক বলা হয়।

ব্রোঞ্জ ডাক: একজন ব্যাটার ক্রিজে আসার পর যদি নিজের খেলা তৃতীয় বলে শূন্য রানে আউট হন, তবে তাকে ব্রোঞ্জ ডাক বলা হয়। অন্য কথায়, তৃতীয় ডেলিভারিতে শূন্য রানে আউট হওয়াকে ব্রোঞ্জ ডাক বলে।
রয়্যাল ডাক: রয়্যাল ডাক, যা প্ল্যাটিনাম ডাক নামেও পরিচিত। শুধুমাত্র ওপেনিং ব্যাটারদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এটি। যখন একজন ওপেনার ম্যাচের একদম প্রথম বলে শূন্য রানে আউট হন, তখন তাকে ‘রয়্যাল’ বা ‘প্ল্যাটিনাম ডাক’ বলা হয়। এটি ডাক-এর সবচেয়ে বিরল ও দুর্ভাগাজনক রূপ হিসেবে বিবেচিত। ভিজাগে অভিষেক ঠিক এভাবেই আউট হয়েছিলেন। লাফিং ডাক: এটি আরেকটি বিরল ঘটনা। যদি কোনো ব্যাটার দলের ইনিংসের শেষ বলে শূন্য রানে আউট হন, তবে তাকে লাফিং ডাক বলা হয়।

পেয়ার: কেবল টেস্ট ক্রিকেটে দেখা যায় এটি। যখন একজন ব্যাটার টেস্ট ম্যাচের উভয় ইনিংসে কত বল খেলেছেন তা বিবেচনা না করেই শূন্য রানে আউট হন, তখন তাকে ‘পেয়ার’ বলা হয়।
কিং পেয়ার: টেস্ট ক্রিকেটে এটি আরও কঠিন ব্যাপার এটি। যদি একজন ব্যাটার উভয় ইনিংসে নিজের মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট হন, তবে তাকে কিং পেয়ার বলা হয়।
টাইটানিয়াম ডাক: এটি ডায়মন্ড ডাকের মতোই, তবে একটি মূল পার্থক্য আছে। এটি নির্দিষ্টভাবে দলের ইনিংসের প্রথম বলের সাথে সম্পর্কিত। যদি একজন ব্যাটার কোনো বল মোকাবিলা না করেই ইনিংসের একেবারে প্রথম বলে শূন্য রানে আউট হন, তাকে টাইটানিয়াম ডাক বলে।

গোল্ডেন গুজ: গোল্ডেন গুজ ডাকটি গোল্ডেন ডাকের ধারণাই অনুসরণ করে, তবে এতে একটি মৌসুমভিত্তিক প্রেক্ষাপট যোগ করা হয়েছে। যদি একজন ব্যাটার নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যাচের প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট হন, তবে তাকে গোল্ডেন গুজ ডাক বলা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )