


দিনভর একাধিকবার লোকসভার অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়। বিকেল ৫টায় অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী মোদির বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার কিছুক্ষণ আগে বিরোধী দলের কয়েকজন নারী সাংসদ ক্ষমতাসীন দলের নির্ধারিত সব আসনের সামনে দাঁড়িয়ে চেয়ার আটকে দেন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসনও ছিল। বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে বর্ষা গায়কোয়াড় ও জ্যোতিমণিও ছিলেন।
তারা ‘সঠিক কাজ করো’ লেখা একটি বড় ব্যানার হাতে ধরে বিক্ষোভ করেন। মঙ্গলবার লোকসভার বিরোধী দলীয় আট সংসদ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করার প্রতিবাদে ওই কর্মসূচি পালন করেন বিক্ষোভকারীরা।
পরে বিজেপি নেতা মনোজ তিওয়ারি বলেন, ওই নারী সংসদ সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই হট্টগোল করেছেন। তিনি বলেন, যা ঘটেছে তা অত্যন্ত ভীতিকর। এতে কংগ্রেসের হতাশার মাত্রাই প্রকাশ পেয়েছে। নারী সাংসদরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর আসনের চারপাশে অবস্থান নিয়েছিলেন। কিরেন রিজিজুর দ্রুত সিদ্ধান্তের কারণেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
দুপুরে অধিবেশন পুনরায় শুরু হলে ২০২০ সালে চীনের সঙ্গে সংঘাতের বিষয়টি নিয়ে বিরোধী সদস্যরা স্লোগান দিতে থাকেন। হট্টগোলের মাঝেই আবারও অধিবেশন মুলতবি এবং প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ বাতিল করা হয়। শেষ পর্যন্ত লোকসভায় ‘ধন্যবাদ প্রস্তাব’ গৃহীত হয়নি। আগামীকাল পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি থাকায় আলোচনা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।