1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
পীরগাছা চার মাস পর খুলল অন্তঃস্বত্ত্বা নুপুর মৃত্যুর রহস্য | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন

পীরগাছা চার মাস পর খুলল অন্তঃস্বত্ত্বা নুপুর মৃত্যুর রহস্য

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
  • ৮০ জন দেখেছেন

রংপুরের পীরগাছায় প্রেম করে বিয়ে করায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক তরুণীকে বাবার বাড়িতে ডেকে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার চার মাস পর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে মৃত্যুকে হত্যাজনিত উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই খালিদ হাসান মিলু (২৫) ও তাঁর স্ত্রী দিলরুবা আক্তার দিশাকে (২২) আটক করেছে পুলিশ।
গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

নিহত নুসরাত জাহান নুপুর (১৮) উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের সতন্তরা গ্রামের নুরুন্নবী মিয়ার মেয়ে। তিনি একই ইউনিয়নের পাঠক শিকড় গ্রামের আহাদ আলীর স্ত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় আট মাস আগে পারিবারের অমতে প্রেম করে বিয়ে করেন নুপুর ও আহাদ। এরপর থেকে মেয়ের পরিবার নুপুরকে স্বামীর সংসার ছেড়ে দিতে চাপ দিচ্ছিল বলে অভিযোগ।

আহাদ হোসেন বলেন, তাঁর শাশুড়ি ফোন করে জানান, শ্বশুর অসুস্থ এবং নুপুরকে দেখতে চান। সেই কথা বিশ্বাস করে নুপুর বাবার বাড়িতে যান। দুই দিন পর তাঁকেও সেখানে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁদের আলাদা করে মারধর করা হয় এবং জোর করে তালাকনামায় স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে আহাদ নিজে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহাদের দাবি, নুপুরকে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। পরদিন সকালে তিনি স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পান। ঘটনার পর এটিকে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করা হলেও শুরু থেকেই তাঁর পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের দাবি ছিল, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন সকালে পুলিশ নুপুরের মরদেহ উদ্ধার করে।

 

চার মাস পর পাওয়া ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে নুপুরের মৃত্যু হত্যাজনিত বলে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী আহাদ আলী বাদী হয়ে নুপুরের মা মিতু বেগম, ফুফু ফেরদৌসি বেগম, ভাই খালিদ হাসান মিলু, ভাবী দিলরুবা আক্তার দিশাসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। ঘটনার কিছুদিন পর নুপুরের বাবা নুরুন্নবী মিয়া মারা যাওয়ায় তাঁকে মামলায় আসামি করা হয়নি। নিহতের শ্বশুর মমিন মিয়া বলেন, ‘প্রতারণা করে আমার পুত্রবধূকে বাবার বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে নির্যাতনের পর তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’ পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনসহ মামলার বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )