1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
গঙ্গাচড়ায় চরাঞ্চলের রাস্তাঘাট সংস্কার ও তিস্তা ভাঙন রোধে ডিসিকে স্মারকলিপি প্রদান  | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন

গঙ্গাচড়ায় চরাঞ্চলের রাস্তাঘাট সংস্কার ও তিস্তা ভাঙন রোধে ডিসিকে স্মারকলিপি প্রদান 

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪ জন দেখেছেন
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার এবং তিস্তা নদীর ভাঙন থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা রক্ষায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নোহালী ইউনিয়নের ২, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের পক্ষে গণস্বাক্ষরসংবলিত এ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক বন্যা ও তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতের কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চর বাগডহরা পশ্চিম জামে মসজিদ থেকে আশ্রয়ণ বাজার, আশ্রয়ণ বাজার থেকে লালমিয়ার মিল, আনন্দ বাজার থেকে স্কুল মোড়, জমিদার বাড়ি থেকে মিনা বাজার, মিনা বাজার থেকে আবু বক্কর সিদ্দিকের বাড়ি, উত্তরপাড়া জামে মসজিদ থেকে ব্রিফ বাজার এবং বড়াইবাড়ী খেয়াঘাট থেকে কালীগঞ্জ খেয়াঘাট পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগীসহ হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন ও জরুরি চিকিৎসাসেবাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, নদীভাঙন থেকে বসতভিটা রক্ষার জন্য এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগ ও স্বেচ্ছাশ্রমে বড়াইবাড়ী খেয়াঘাট থেকে কালীগঞ্জ খেয়াঘাট পর্যন্ত একটি প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করেন। তবে তিস্তার প্রবল স্রোতে বাঁধটি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
বাঁধটি ভেঙে গেলে নোহালী ইউনিয়নের ২, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শত শত পরিবার নতুন করে নদীভাঙনের শিকার হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এ ছাড়া মধ্য চর বড়াইবাড়ী খেয়াঘাট সংলগ্ন প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের দাবিও জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত সংস্কার করে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা, পরবর্তীতে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং বন্যা ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
স্মারকলিপিতে মো. আল-আমিন, মো. ইসমাইল হোসেন, মো. মোনাহীন হোসেন, মো. মুকুল মিয়া, নোহালী ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. শহিদুল ইসলামসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বিপুলসংখ্যক বাসিন্দা গণস্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, স্মারকলিপিটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার এবং নদীভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত করণীয় নির্ধারণের আশ্বাসও দেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )