


দেশে জ্বালানি সংকট সবচেয়ে বড় সংকট হয়ে দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ জন্য বিগত সময়ে কার্যকর ভূমিকা না নেওয়াকে দায়ী করে তিনি সংকট সমাধানে বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টার কথাও তুলে ধরেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) নেতারা সাক্ষাৎ করতে গেলে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। বিটিএমএ’র এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সংগঠনটির সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে ২২ সদস্যের প্রতিনিধি দল এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সময়ে জ্বালানি সংকট সব থেকে বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। বিগত সময়ে দেশের নিজস্ব গ্যাস ও জ্বালানি অনুসন্ধান ও আহরণ এবং দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোনো উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়নি’ –উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জ্বালানি সমস্যার সমাধানে সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।’
বিটিএমএ’র বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি বলেন- রাজনৈতিক অস্থিরতা-সহ বিভিন্ন কারণে স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও আমরা আমাদের অর্থনীতিকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি। বর্তমানে গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ফলে অর্থনীতির খাতগুলোকে পুনর্নির্মাণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। রাষ্ট্রপতি এ সুযোগকে কাজে লাগাতে দেশের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে আহ্বান জানান। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।
এ সময় বিটিএমএ’র পক্ষ থেকে বস্ত্রখাতের বর্তমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করা হয়। দেশীয় বস্ত্রকলকে সুরক্ষা দিতে ১০-৩০ কাউন্টের কটন (তুলা) সুতা আমদানির ক্ষেত্রে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার ও ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে সুতা আমদানির সুযোগ প্রদানের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিদ্ধান্ত বহাল রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।