গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতা এ বি এম সাইদুর রহমান রয়েলের স্ত্রী।
চট্টগ্রামের প্রাণহরি দাস চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত, সরাইপাড়া সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ২০০২ সালে মানবিক বিভাগ নিয়ে এস এস সি পাশ, চট্টগ্রাম সরকারী কলেজ থেকে ২০০৪ সালে মানবিক থেকে এইচ এস সি পাশ করেন, ২০০৪-২০০৫ সেশনে সমাজবিজ্ঞানে ভর্তি হন এবং ওই বিষয়েই ২০০৮-২০০৯ সেশনে এম এস এস এ ভর্তি হয়ে দ্বিতীয় বিভাগ নিয়ে উত্তীর্ণ হন।
তিনি চট্টগ্রাম মহানগরের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাবেক প্রচার সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তিনি কেন্দ্রীয় কমিটি নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য এবং চট্টগ্রাম মহানগর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক।
মোছা দেওয়ান মাহামুদ লিটা গাইবান্ধার পুত্রবধূ। তাই গাইবান্ধা থেকে নারী সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হিসাবে দেখতে চান জেলাবাসী।
দেওয়ান মাহমুদ লিটা ২০০৫ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা গড়ে তোলেন। এরপর শুরু হয় তার রাজনৈতিক জীবনের যাত্রা পথ। এই পথে অনেক সময় রাজনৈতিক ভাবে অত্যাচারিত হয়েছেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েই নির্মম নির্যাতন ও জেল-জুলুম স্বীকার হয়েছেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি সন্ত্রাস বিরোধী আইন ও বিস্ফোরক মামলা, ২ টি আইসিটি মামলাসহ মোট ৬ টি মিথ্যা মামলায় কারাভোগ করেছেন বহুবার। জাতীয়তাবাদী দলের এমন ত্যাগী নির্যাতিত কর্মীকে আগামী দিনের গাইবান্ধার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে দরকার বলে মনে করছেন সুধিমহল।
ফুলছড়ি-সাঘাটা উপজেলার একাধিক নেতাকর্মী সাথে কথা হলে তারা বলেন, দেওয়ান মাহামুদ লিটা একজন ত্যাগী নির্যাতিত নেত্রী। যিনি রাজনৈতিক জীবনে নিজের জীবনকে বাজি রেখে জাতীয়তাবাদী দলের হাল ধরে বহুবার কারা ভোগ করেছেন। তাই এমন নেত্রী সংরক্ষিত আসনের দাবিদার।
দেওয়ান মাহমুদ লিটা বলেন, গাইবান্ধা আমার স্বামীর বাসা হলেও এই জেলার মানুষ আমাকে আপন করে নিয়েছে।এখানকার মানুষের সাথে রক্তের বন্ধন তৈরি হয়েছে। এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। তাছাড়া দলের সংকট সময়ে আমি জেল-জুলুম নির্যাতনের স্বীকার হয়েছি। দলের সিদ্ধান্তকে সব সময় স্বাগত জানাই।