সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, মো. আরাফাত হোসেন (সোহাগ), মো. আরিফুর জামাল ও মো. হেবাউর রহমান তিন অংশীদার মিলে সৈয়দপুর শহরের বিমানবন্দর সড়কে টেস্ট এন্ড গো নামের একটি রেস্টুরেন্টের দ্বিতীয় শাখা চালু করেন। তাদের রেস্টুরেন্টের প্রথম শাখাটি দিনাজপুর শহরে অবস্থিত। সৈয়দপুর শহরের বিমানবন্দর সড়কে অবস্থিত রেস্টুরেন্টটির দ্বিতীয় শাখাটি গত প্রায় এক বছর ধরে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে আসছে।
একেবারে কোলাহলমুক্ত মনোরম ও নিরিবিলি পরিবেশ এবং বিভিন্ন রকমারি উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের কারণে রেস্টুরেন্টটি অতি অল্প সময়ে সব শ্রেণি, পেশার ও বয়সী মানুষের কাছে বেশ পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা পেয়েছে ইতিমধ্যে। এ অবস্থায় গত ৩০ মে থেকে সৈয়দপুর ব্রেকিং নিউজসহ ফেসবুকের কয়েকটি ভুয়া পেজে “টেস্ট এন্ড গো” রেস্টুরেন্টের নামে নানা রকম মনগড়া, কাল্পনিক ও অসত্য সব তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়।
শুধু তা-ই নয়, ফেসবুকের ভুয়া পেজটিতে রেস্টুরেন্টটির ব্যবস্থাপকের ছবি জুড়ে দিয়ে সেখানে নানা অনৈতিক কর্মকান্ড ও নারী কেলেঙ্কারি কারবারের তুলে ধরা হয়েছে। পরবর্তীতে রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপকের কাছে ২৫ হাজার টাকা দাবি চাঁদা দাবি করা হয়। এ দাবিকৃত অর্থ হাতিয়ে নিতে তারা ০১৮৪৮৫৬৯৯৭৪ নম্বরের একটি বিকাশ নম্বরও দেয়। ওই বিকাশ নম্বরে তাদের দাবিকৃত অর্থ দিলে ফেসবুকের ভুয়া পেজটি থেকে রেস্টুরেন্টের নামে লেখাগুলো ডিলেট (অপসারণ) করে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, ডিজিটাল অপরাধী চক্র কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ধরনের মনগড়া ও কাল্পনিক অপপ্রচারের কারণে তাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে। তাই এ বিষয়ে রেন্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক কামরুজামান (রুবেল) সৈয়দপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই সঙ্গে ভুয়া পেজের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনতে তাদের বিরুদ্ধে সাইবার সিকিউরিটি আইনে মামলারও প্রস্তুতি চলছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ সময় টেস্ট এন্ড গো রেস্টুনেন্টের তিন অংশীদার উপস্থিত ছিলেন।