উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে অস্থায়ী দোকানে বিক্রি হচ্ছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানি, স্পেন, ইরান,পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশের পতাকা। আকার ও মানভেদে পতাকার দামও রাখা হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন। ছোট পতাকা থেকে শুরু করে বড় আকারের ব্যানার ও কাপড়ের পতাকাও পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকরা কে কতো বড় সাইজের পতাকা তৈরি করতে পারে এনিয়ে চলছে প্রতিযোগিতা কেউ যেন প্রিয় দলের পতাকার সাইজে হারতে রাজি নয়।
লালমনিরহাট থেকে আসা পতাকা বিক্রেতা আজিম হোসেন জানান, তিনি প্রায় ২৮ বছর ধরে বিভিন্ন ক্রীড়া আসর উপলক্ষ্যে পতাকা বিক্রি করে আসছেন। তিনি বলেন, “প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০টি পতাকা বিক্রি হয়। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পতাকার চাহিদা সবচেয়ে বেশি।”
বিশ্বকাপের উন্মাদনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পতাকার বিক্রিও আরও বাড়বে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফুটবলপ্রেমীদের প্রিয় দলের পতাকা বাড়ির ছাদ, দোকানপাট এবং যানবাহনে টাঙাতে দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীদের মতে, বিশ্বকাপ এলেই রাজারহাটে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। প্রিয় দলের সমর্থনে পতাকা উড়িয়ে সেই আনন্দকে আরও রঙিন করে তোলেন সমর্থকরা। ফলে বিশ্বকাপকে ঘিরে উপজেলার সর্বত্র এখন ফুটবল উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে।