খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৫৭ জন শিক্ষার্থীর এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে কর্মরত শিক্ষক রয়েছেন মাত্র দুজন। শিক্ষিকা মাসুমা আক্তারের অনুপস্থিতিতে অপর শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে একাই পোহাতে হচ্ছে অতিরিক্ত পাঠদানের চাপ। এতে বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের নিয়ে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ওই শিক্ষককে।
স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে যোগদানের পর মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে মাসুমা আক্তার চিলমারী সদরের মুদাফৎথানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক্কলনে (ডেপুটেশনে) যান। গত জুন মাসে সেখানে ডেপুটেশন শেষ করে আগের কর্মস্থলে ফেরার কথা থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত। অনুপস্থিতির বিষয়ে তিনি প্রধান শিক্ষক বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিসকে আগাম কোনো সুস্পষ্ট কারণ বা ছুটি সংক্রান্ত লিখিত তথ্য দেননি বলে জানা গেছে।
এক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শিক্ষকরা যদি নিয়ম-কানুন না মেনে ইচ্ছেমতো অনুপস্থিত থাকেন, তবে আমাদের শিশুরা কী শিখবে? আমরা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান ও নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চাই।”
মুদাফৎ কালীকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির আর এক শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওই শিক্ষিকার লিখিত ছুটির আবেদন আমি ৬ সেপ্টেম্বর হাতে পেয়েছি। গত জুন মাসে ডেপুটেশন শেষ করার পর থেকে তিনি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। তবে তিনি মেডিক্যাল ছুটিতে ছিলেন বলে দাবি করেন শিক্ষক রফিকুল।
এ বিষয়ে চিলমারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিরুজ্জামান জানান, “শিক্ষিকা মাসুমা আক্তার মেডিক্যাল ছুটিতে আছেন বলে জানি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের লিখিত আবেদন দেননি, আজ দেওয়ার কথা রয়েছে।