1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
মীরবাগ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ সভাপতি ও প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন

মীরবাগ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ সভাপতি ও প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৭ জন দেখেছেন
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মীরবাগ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফরোজা বুলবুলের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, নিয়োগ বাণিজ্য, অনিয়মিত উপস্থিতি এবং বিদ্যালয়ের সম্পদ লিজ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
তবে এসব গুরুতর অভিযোগের তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে উল্টো সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। আর এসব অনিয়মে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদের অভিযোগ উঠেছে খোদ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার দিল আফরোজের বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের টিউশন ফি বাবদ উত্তোলিত ৩ লাখ টাকা শিক্ষকদের মধ্যে বিতরণ না করে স্কুলের অ্যাকাউন্টে জমা না রেখে প্রধান শিক্ষক  সভাপতির যোগসাজসে নিজের ব্যক্তিগত একাউন্ট এ রেখেছেন।
এছাড়া সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে তিনি ইচ্ছেমতো প্রতিদিন বেলা সাড়ে ১১টায় বিদ্যালয়ে আসেন এবং দ্রুত বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। সরকারি বিধি অনুযায়ী সপ্তাহে নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্লাস নেওয়ার কথা থাকলেও বিদ্যালয়ের রুটিনে তাঁর কোনো ক্লাসই নেই বলে জানা গেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে অর্থ দাবি ও গ্রহণের ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রেও বড় অংকের অর্থ লেনদেন হয়েছে। বিদ্যালয়ের উন্নয়নের নামে নানা উপায়ে অর্থ সংগ্রহ করা হলেও তার কোনো স্বচ্ছ হিসাব নেই। এছাড়া বিদ্যালয়ের ২৪ শতক আবাদি জমি ও পুকুর লিজ দেওয়ার ক্ষেত্রেও ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আফরোজা বুলবুলের  কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বিষয়ে আমার বলার কিছু নেই, আমি আপনাদের সাথে কথা বলবো না আপনারা যা পারেন লেখেন।
 এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে এসব অনিয়মের পাহাড় জমলেও সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার দিল আফরোজ যেন উদাসীন ভূমিকায় রয়েছেন। টিউশন ফির টাকা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে রাখার বিষয়ে তাঁর কাছে জানতে চাইলে তিনি অদ্ভুত মন্তব্য করে বলেন, “এ বিষয়ে অন্য শিক্ষকদের কোনো অভিযোগ নেই।” এছাড়া বিদ্যালয়ের পুকুর ও জমি লিজ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সম্পূর্ণ দায় এড়িয়ে দাবি করেন, “বিদ্যালয়ে পুকুর এবং জমি আছে কি না, এ বিষয়ে আমার জানা নেই।” তবে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে জিডি করার বিষয়টি তাঁকে অবগত করেই করা হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন।
অন্যদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবু তাহের জানান, প্রধান শিক্ষক নিউজের বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন, তবে এ বিষয়ে আমার  কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার নেই।
স্থানীয়দের দাবি, প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগগুলো দ্রুত নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হোক। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং বিদ্যালয়ের আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )