1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
টাকা জমা দেওয়ার এক বছর পরও মিলেনি বিদ্যুৎ সংযোগ, দাবিতে সংবাদ সম্মেলন  | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন

টাকা জমা দেওয়ার এক বছর পরও মিলেনি বিদ্যুৎ সংযোগ, দাবিতে সংবাদ সম্মেলন 

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৮ জন দেখেছেন
কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চিলমারী জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম)-এর বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও গ্রাহক হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সব নিয়ম মেনে অর্থ জমা দেওয়ার এক বছর পার হলেও মিলেনি বিদ্যুৎ সংযোগ। এমনকি ভুক্তভোগীদের কাছে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরের দাবি করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
এসব হয়রানি ও অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে সোমবার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। উপজেলার চর হরিপুর এলাকার বাসিন্দাদের উদ্যোগে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইউনুছ আলী।
লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, চর হরিপুর এলাকার ১৪টি পরিবার পল্লী বিদ্যুতের ডিপোজিট লাইনের মাধ্যমে সংযোগ নিতে প্রায় এক বছর আগে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। লাইন নির্মাণ বাবদ ৫৪ হাজার টাকা, মিটার জামানত বাবদ বাণিজ্যিক মিটারের জন্য ১১ টি পরিবার ১১ হাজার ১১০টাকা ও আবাসিক ৩টি পরিবার ১৫৯০ টাকা সহ মোট ৬৬ হাজার ৭০০টাকা জমা দেয়। প্রায় তিন মাস আগে তাদের নামে মিটার আসলেও রহস্যজনক কারণে সংযোগ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, সংযোগের বিষয়ে বারবার চিলমারী জোনাল অফিসে যোগাযোগ করেও কোনো ফল মেলেনি। পরবর্তীতে কুড়িগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) ও এজিএমের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।
উপরন্তু সংযোগের বিষয়ে জানতে গেলে ডিজিএম ভুক্তভোগীদের একটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিতে বলেন। কিন্তু কেন ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হবে, তার কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা তিনি দেননি।
সংবাদ সম্মেলনে মো. ইউনুছ আলী আরও অভিযোগ করেন, প্রায় ৩ মাস আগে প্রাকৃতিক দুর্যোগে তাঁর রাইচ মিলের সিঙ্গেল ফেজ মিটারটি নষ্ট হয়। দীর্ঘদিন ঘোরাঘুরির পর তাঁকে তিন ফেজ সংযোগের জন্য আবেদন করতে বলা হলে দেড় মাস আগে তিনি আবেদন করেন। কিন্তু এখনো সংযোগ না দেওয়ায় তাঁর মিলের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। অথচ একই এলাকায় নিয়মবহির্ভূতভাবে অন্য একটি রাইচ মিলকে সংযোগ দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসব বিষয়ে কথা বলতে গেলে ডিজিএম উল্টো আইনি ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
ভুক্তভোগী ইউনুছ আলী বলেন, “নিয়ম মেনে টাকা জমা দেওয়ার পরও এক বছর ধরে বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। মিটার এসে পড়ে থাকলেও কেন সংযোগ দেওয়া হচ্ছে না, তার স্পষ্ট জবাব চাই। আমরা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে এর সুষ্ঠু প্রতিকার ও দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগের দাবি জানাচ্ছি।”
এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে কুড়িগ্রাম-লালমনির হাট পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির চিলমারী জোনাল অফিসের ডিপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. ফকরুদ্দীন বলেন,‘ওই এলাকায় সংযোগকে ঘিরে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।
আমরা তদন্ত করে দেখছি, এ কারণে সংযোগ দিতে বিলম্ব হচ্ছে। তিনি আরো বলেন,‘রাইচ মিলে অতিরিক্ত লোডের কারণে বারবার মিটার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এ কারণে ওই মিল মালিককে ত্রিফেজ সংযোগের জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছিল, তিনি আবেদন করেছেন। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, মো. কামরুজ্জামান, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. রেজাউল ইসলাম, মো. ইদ্রিস আলী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
কুড়িগ্রাম-লালমনির হাট পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. শামিম পারভেজ বলেন, ‘কেন সংযোগ দেয়া হচ্ছে না বিষয়টি কথা বলে দেখতেছি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )