1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
উচ্চ শিক্ষা অর্জনে জাতির কল্যাণে কাজ করতে চায় আল আমিন | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন

উচ্চ শিক্ষা অর্জনে জাতির কল্যাণে কাজ করতে চায় আল আমিন

উলিপুর (কু‌ড়িগ্রাম) প্রতি‌নি‌ধি
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২১০ জন দেখেছেন
জাতির কল্যাণে কাজ করতে চায় আল আমিন

বৃদ্ধ বাবা রিকশাচালক, মা স্থানীয় একটি কারুপণ্য কারখানার শ্রমিক। টানাটানির সংসার ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’ এমন নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে আলোকিত হয়েছেন আল আমিন অলি হোসেন। ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে উলিপুর সরকারি কলেজ থেকে মানবিক শাখায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনি।

 

 

আল আমিন উলিপুর পৌর সভার হায়াৎখাঁ এলাকার জহুরুল হকের (৫২) ছেলে। জহুরুল হক পেশায় একজন রিকশাচালক। মা কল্পনা বেগম (৪২)স্থানীয় একটি কারু পণ্যের শ্রমিক। শত কষ্ট আর দারিদ্রতাকে হার মানিয়ে সন্তানের এমন সফলতায় উচ্ছ্বসিত জহুরুল-কল্পনা দম্পতি। এর আগে ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ পান অদম্য মেধাবী আল আমিন।

আল আমিন হোসেনের বাবা জহুরুল হক জানান, আমি গরীর মানুষ। জমিজমা বলতে দুই শতক বসতবাড়ি। অভাবের সংসারে ছোট বেলা থেকে সংগ্রাম করে আসছি। পনের বছর বাদাম বিক্রি করেছি। কখনও গ্রামে গ্রামে ফেরি করে দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে রিকশা চালাই।এখন বয়স হয়েছে ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারি না। ঋণ করে ব্যাটারিচালিত একটি রিকশা বানিয়েছি, সেটিও পুরাতন হয়েছে। ওটা দিয়েই কোনোরকম আয় রোজগার করি। মানুষ ভাঙা রিকশায় উঠতে চায় না। এরমধ্যে ছেলেটা মেধাবী হয়েছে। কিন্ত অভাবের কারণে হয়তো আর পড়াতে পারব না।

 

 

জহুরুল হকের স্ত্রী কল্পনা বেগম বলেন, ছয় মাস বয়সী কোলের সন্তান রেখে কারুপণ্েয যাই। তখন থেকেই কারুপণ্যে কাজ করি। সকাল আটটা থেকে রাত আটটা ডিউটি করি। সেখানে তিন হাজার টাকা বেতন পাই। তাই দিয়ে কোনোরকম টেনেটুনে সংসার চালাই। এর মধ্যে ছেলেটা অসুস্থ হয়েছিল। ধারদেনা করে চিকিৎসা করিয়েছি। বসুন্ধরা গ্রুপ আমার ছেলেটাকে শিক্ষা বৃত্তি দিয়েছিল, এজন্য এইচএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া করতে পেরেছে। এখন কিভাবে পড়ালেখা হবে এ চিন্তায় দিশেহারা তিনি।

 

 

আল আমিন হোসেন অলি বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপ আমাকে শিক্ষা বৃত্তির ব্যবস্থা করেছে। এজন্য আমি ও আমার পরিবার বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ। তারা আমাকে শিক্ষা বৃত্তির ব্যবস্থা না করে দিলে হয়তো পড়াশোনা করতে পারতাম না। উচ্চ শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে চান অদম্য এই মেধাবী শিক্ষার্থী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )