ন্যায্যমুল্যের এই বাজারে প্রতি কেজি আলু ৫৫ টাকা, পেঁয়াজ ৮০, শিম ৬০, করলা ২০, কাঁচা মরিচ ৬৫, লাল শাক ৩০, পালং শাক ২৫, বাধাঁকপি ৪০, মুলা ৩৫ টাকা করে এবং লাউ প্রতি পিছ ২০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয় বাজারের তুলনায় ন্যায্যমুল্যের বাজারে ১০ থেকে ২০ টাকা কমে শাক-সবজি কিনতে পারছেন ক্রেতারা। উদ্বোধনের পর থেকেই কম দামের এই বাজারে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়।
জেলা শহরের মসজিদপাড়া মহল্লার আব্দুর রশিদ বলেন, বাজারে সব পন্যের দাম বেশি মনে হয়। এখানে প্রতি সবজিদে ১০ থেকে ২০ টাকা কমে কিনতে পারলাম। এই বাজার প্রতিদিন চালু রাখার দরকার। তাহলে কিছু হলেও কমে আমরা শাক-সবজি কিনতে পারবো।
সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী ফোরামের সমন্বয়ক আহসান হাবিব বলেন, জেলা প্রশাসনের আহব্বানে আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা এই ন্যায্যমুল্যের দোকান চালু করা হলো। সাধারন মানুষ কছিু হলেও এখানে কম মুল্যে শাক সবজি কিনতে পারবেন। জেলা প্রশাসনের সহায়তায় আমরা কৃষকের ক্ষেত থেকে সবজি কিনে এখানে বিক্রি করছি।
জেলা প্রশাসক সাবেত আলী বলেন, কৃষকের ক্ষেত থেকে সবজিসহ বিভিন্ন পন্য কিনে ন্যায্যমুল্যের বাজারে স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে বিক্রি করা হবে। আপাতত একটি দোকানে প্রতি শুক্র ও শনিবার সপ্তাহে এই দুইদিন এই বাজারে কেনাবেচা হবে। এছাড়া দুইটি ব্যাটারি চালিত ভ্যানেও প্রতিদিন সকাল থেকে ভ্রাম্যমান বাজার হিসেবে শাক-সবজি বিক্রি করা হবে। পরবর্তিতে চাহিদা বাড়লে বাজারের পরিধিও বৃদ্ধি করা করা হবে।।