1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
আগাম ফুলকপি চাষে লাভবান হচ্ছেন লালমনিরহাটের কৃষক | দৈনিক সকালের বাণী
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন

আগাম ফুলকপি চাষে লাভবান হচ্ছেন লালমনিরহাটের কৃষক

মাহফুজ বকুল, লালমনিরহাট
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৪৮ জন দেখেছেন
ফুলকপি চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষক
উত্তরের জেলা লালমনিরহাটে শীতকালীন আগাম ফুলকপি চাষে ঝুকেছেন কৃষক। মৌসুমী বিভিন্ন ফসলের পাশাপাশি জনপ্রিয় সবজি ফুলকপির ভাল ফলনে লাভবান হচ্ছেন তারা। আবহাওয়া অনুকুলে ও ভারী বর্ষণ না থাকায় চলতি মৌসুমে ফুলকপি বাম্পার ফলন হয়েছে। আগাম আলু, বাধাকপি, লাউ, মুলা, বেগন, ফুলকপি সহ এসব সবজি জেলার চাহিদা পূরণ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট ও মাঝারি পাইকাররা এসব কিনছেন।
 জানা যায়, জেলা সদরের মোগলহাট, বড়বাড়ি, কুলাঘাট, আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি, কমলাবাড়ি, বামনের বাসা, দুর্গাপুর, কালীগঞ্জ উপজেলার শিয়ালখাওয়া, চন্দ্রপুর, চাপারহাট, গোড়ল, হাতিবান্ধা উপজেলার দইখাওয়া, ভেলাগুড়ি সহ পাটগ্রামের বিভিন্ন এলাকা ও তিস্তার বিস্তৃণ চরাঞ্চলে মৌসুমী বিভিন্ন ফসল আবাদ হয়ে থাকে। এ বছরও কৃষকরা আগাম বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করেছেন। এর মধ্যে ফুলকপির বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে দামও পাচ্ছেন ভালো। তবে বীজ-সার ও কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় ও সিন্ডিকেটের কবলে পড়ায় হতাশ তারা।
আগাম ফুলকপি চাষে খরচের চেয়ে তিনগুণ লাভ পাচ্ছেন তারা।ভোর থেকে ক্ষেত থেকে ফুলকপি উঠানো হলে  বিক্রির ধুম পড়ে যায় গ্রাম গুলোতে। পাইকাররা আসেন বিভিন্ন জেলা থেকে। কৃষাণ কৃষাণী দলবেঁধে জমি থেকে ফুলকপি সংগ্রহ করে তা ওজনের পর বিক্রি হয়। ফুলকপি বহন করতে আসে অটোরিকশা, পিকাপ ও ট্রাক।
কৃষকরা বলেন, রোগ বালাই কম থাকায় আগাম জাতের ফুলপির চাষ আবাদের বাম্পার ফলন হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফুলকপি অধিক মুনাফা অর্জন করছি। আগাম ফুলকপি পাওয়ায় ক্রেতাদের কাছে এর চাহিদাও বেড়েছে। বর্তমানে বাজারমূল্য বেশী পাওয়ায় চাষিরাও লাভবান হচ্ছেন। প্রতি কেজি ফুলকপি ৪০-৫০ টাকা ও প্রতি পিস ২০থেকে ২৫ টাকা বিক্রি করেছেন কৃষকেরা।
লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানাজায়, বর্ষার পরপরই শীতে আগে আগস্ট মাসে ফুলকপির চারা রোপন করা হয়। আগামী ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ফলন পাওয়া যাবে। এবার জেলায় আগাম ২২০ হেক্টর জমিতে ফুলকপি  চাষাবাদ হয়েছে। স্বল্প সময়ে ভালো ফলন হওয়ার পাশাপাশি অধিক মুনাফা পাওয়ায়  অনেক চাষিই এখন ফুলকপি চাষে ঝুঁকছেন।
ফুলকপি চাষী মহির উদ্দিন বলেন,সাড়ে পাঁচ বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষ করেছি। খরচ হয়েছে দেড় লাখ আশা করি চার লক্ষ টাকার ফুলকপি বিক্রি করব। ইতিমধ্যে বিক্রি শুরু হয়েছে। আরও বিক্রি করার বাকি রয়েছে। সবজি ব্যবসায়ী লিটন বলেন, আমরা প্রতিদিনই ট্রাকভর্তি করে কৃষকদের ফুলকপি দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠিয়ে থাকি। বর্তমানে ফুলকপির চাহিদা ব্যাপক। দাম ভালো। চাষিরা লাভবান হচ্ছেন।
লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. মো. সাইখুল আরিফিন বলেন, লালমনিরহাট জেলা তিস্তা বিধত জেলা হলেও এর অধিকাংশ জমি উঁচু ও মাঝারি উচু জমিতে শাকসবজি আবাদের উপযোগী। মোটামুটি আগাম শাকসবজি আবাদ হয়েছে। বর্ষার পরপরই শীতের আগ মুহূর্তেই শাকসবজি তুলনামূলক কম থাকে। এই মুহূর্তে যারা আগাম সাবজি আবাদ করবে তারা নিঃসন্দেহে বাজারে ভালো দাম পাবে।
সেই সাথে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ করতে এবং তা বাণিজ্যিকীকরণ করতে কৃষি বিভাগ সারা বছর সবজি চাষে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতা করে আসছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )