রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কেন্দ্রীয় বাজার গঙ্গাচড়া। ফুটপাতে ভাসমান দোকান, রাস্তা দখল করে অটো দাঁড়িয়ে থাকাকে যানযটের প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করে যানজট নিরসনে সরকারি অর্থে নির্মাণ করা হয়েছে অটোরিকশা স্ট্যান্ড। সিদ্ধান্ত মোতাবেক গঙ্গাচড়া বাজেরে প্রবেশমুখী চারটি রাস্তায় স্ট্যান্ড নির্মাণে ব্যয়
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর মার্জিনাল ডাইক ব্লক পিচিং ধসে যাওয়াসহ ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে গ্রোয়েন বাঁধ পর্যন্ত পুরো এলাকা । ৩ আগষ্ট (সোমবার) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ,তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদের তিস্তা
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার এবং তিস্তা নদীর ভাঙন থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা রক্ষায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নোহালী ইউনিয়নের
তিস্তা নদীর ভাঙনে প্রতিদিনই নতুন করে বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। নদীপাড়ের মানুষ যখন ঘরবাড়ি হারিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে, তখন দুর্যোগকবলিত মানুষকে উদ্ধারের জন্য বরাদ্দ সরকারি রেসকিউ বোট বছরের পর বছর পড়ে আছে শিকল বন্দি অবস্থায়। ‘তিস্তা-রংপুর-২’ নামের
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাঙনে নোহালী ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থ ৩৫টি পরিবারের মাঝে ঢেউটিন, নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের হাতে এক বান্ডিল করে ঢেউটিন, ৫ হাজার টাকা ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন
ইতিহাস স্বাক্ষী ‘নীল’ শব্দটি উচ্চারিত হলেই বাংলার কৃষকের চোখে ভেসে উঠে ব্রিটিশ নীলকরদের অত্যাচার, নির্যাতন আর রক্তাক্ত বিদ্রোহের ইতিহাস। যে নীলের জন্য কৃষককে জোর করে খাদ্যশস্যের বদলে চাষ করতে বাধ্য করা হয়েছিল।সেই নীলই আজ রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কৃষকের কাছে হয়ে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি বন্যা মৌসুমে ভারী বৃষ্টি আর উজানের ঢলে একদিকে বন্যা, অপর দিকে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও বসতভিটা হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ। ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ তুলে জিওব্যাগ
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের কিশামত শেরপুর এলাকায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের আওতায় প্রায় ৮৭ লাখ ৫৩ হাজার টাকা ব্যয়ে সম্পন্ন হওয়া একটি সড়কের পর্যায়বৃত্ত রক্ষণাবেক্ষণ (পিএমপি) কাজ শেষ হওয়ার হওয়ার ১মাস পার না হতেই কার্পেটিং উঠে যেতে শুরু
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৪০ টি পরিবারের মাঝে শুক্রবার ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার। একই সঙ্গে তাঁর পাঠানো প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে রংপুরের জেলা প্রশাসক বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো)
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের সাতটি তিস্তা বিধৌত। বর্ষাকাল এলেই চড়ম দূর্ভোগ পোহাতে হয় চরাঞ্চলের মানুষকে। চলমান বর্ষা আর বৃষ্টিতে একদিকে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে গ্রামীণ সড়ক। বই-খাতা হাতে এক হাঁটু পানি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। অন্যদিকে পানি কিছুটা