স্থানীয় লোকজন ও নিহতের স্বজনরা জানান, নয়ন খুব ভালো ছেলে ছিল। বাবা-মায়ের একমাত্র ভরসা ছিল নয়ন। তার এমন অকাল মৃত্যুতে পুরো পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেল। এমন মৃত্যু তারা মেনে নিতে পারছেন না। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে থাকা ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সড়কে বেরিকেড না দেওয়ায় সেই সড়ক দিয়ে ট্রাক ঢুকে পড়ায় এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ নিহতের স্বজনদের।
ট্রাকচালককে অতি দ্রুত গ্রেফতার করে বিচার নিশ্চিতের পাশাপাশি অসহায় নয়নের পরিবারের পাশে যেন সরকার দাঁড়ায় সে দাবিও জানান তারা। পরিবারের পক্ষ থেকে লোকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নয়নের মরদেহ আনতে গিয়েছেন বলে স্বজন সুত্রে জানা গেছে।
সোহানুর রহমানের চাচা বলেন, নয়ন খুব ভালো ছেলে ছিল। তার চাকরির বয়স প্রায় ৩০ মাস হলো। সচিবালয়ে আগুন নেভাতে ট্রাকচাপায় সে মারা যায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রাস্তায় প্রটেকশন থাকলে এই দূর্ঘটনা নাও হতে পারতো। সে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে চাকরিতে যোগ দিলেও লেখাপড়া বন্ধ করেনি। ছুটিতে এসে এইচএসসি ও ডিগ্র পরীক্ষা দিয়েছে প্রমোশন নিয়ে বড় অফিসার হবে। কিন্তু সেই স্বপ্ন সত্যি হলোনা।