1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
নিম্ন মানের সামগ্রী নির্মাণের এক মাস যেতে না যেতেই রাস্তা একাধিক স্থানে ধস - চলাচল বন্ধ | দৈনিক সকালের বাণী
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন

নিম্ন মানের সামগ্রী নির্মাণের এক মাস যেতে না যেতেই রাস্তা একাধিক স্থানে ধস – চলাচল বন্ধ

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৮৮ জন দেখেছেন

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে উপজেলার নরিনা ইউনিয়নের নারায়নাদহ জামাত খানের বাড়ী থেকে শহিদ মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় নিরানব্বই লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এইচবিবি ৬০৭ মিটার হেরিনবন্ড রাস্তাটি নির্মাণের পর এক মাস যেতে না যেতেই রাস্তার বিভিন্ন স্থানে ধসে যাওয়ায় বর্তমানে এ রাস্তা দিয়ে যান চলাাচল বন্ধ করে দেওযা হয়েছে। খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে , কাজটির প্রকৃত ঠিকাদার ছিলেন মের্সাস মোহাম্মদ আলী এন্টারপ্রাইজ। কাজটি সাব কট্রাক্ট নিয়েছিলেন পান্না নামে জনৈক ঠিকাদার । নিম্নমানের ইট বালি ও নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে রাস্তাটির কাজ করার অভিযোগ উঠেছে।

 

জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে “সিরাজগঞ্জ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে উপজেলার নরিনা ইউনিয়নের নারায়নাদহ জামাত খানের বাড়ী থেকে শহিদ মেম্বারের বাড়ী পর্যন্ত এইচবিবি ৬০৭ মিটার রাস্তার নির্মাণ কাজের অনুকুলে ৯৮ লাখ ৩৫ হাজার ৭৫০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে শিডিউল মোতাবেক রাস্তাটি নির্মাণ না করায় ৬০৭ মিটার রাস্তায় ছোট বড় প্রায় ৬০ স্থানে ধসে গেছে। রাস্তার শোল্ডারে ২-৩ ফুট মাটি দেওয়া কথা থাকলেও সেখানে মাত্র ১ ফুট মাটির কাজ করা হয়। রাস্তাটির এজিং এর কাজ সঠিক ভাবে করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

এদিকে নরিনা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আলমগীর হোসেন ও স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল রশিদ, হয়রত আলী, ইয়াকুব আলী, শফিকুল রহমান মোল্লা ও ভ্যান চালক সাইদুল ইসলাম জানান, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করার সময় স্থানীয়রা প্রতিবাদ করে ও কোন কাজ হয়নি। তারা আরও জানান, এক নম্বর ইটের পরিবর্তে দুই নম্বর ইট দিয়ে নিন্মমানের সামগ্রি দিয়ে দায়সাড়া ভাবে রাস্তার কাজটি শেষ করা হয়। এছাড়াও রাস্তার প্রায় ২৫০ মিটার গাইড ওয়ালে কাজ করা কথা থ্কলেও সেটিও করা হয়নি।

 

সড়কের দুই পাশে (শোল্ডারে) ২ ফুট মাটি ধরা থাকলেও সেখানে ১ ফুটও মাটি দেয়নি। সড়কের বালু ফেেল রোলার দিয়ে রাস্তা পেটানোর নিয়ম রয়েছে। কিন্তু তা না করেই ওই ঠিকাদারি সংস্থা নিয়মের তোয়াক্কা না করে সড়ক নির্মানের কাজ শেষ করে। স্থানীয়রা জানান , সঠিক ভাবে রাস্তার কাজ না করায় এরই মধে বৃষ্টিতে রাস্তাটি বিভিন্ন জায়গাতে ধসের সৃষ্টি হলেও সেটিও সঠিক ভাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে মেরামতের উদ্যোগ না নেওয়ায় রাস্তাটি দিয়ে এরই মধ্যে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

 

 

এদিকে স্থানীয়রা আরো অভিযোগ করে , অনিয়মে কথা বরলেই ঠিকাদারের লোকজন চাঁদাবাজির মামলা ভয় দেখিয়ে থাকে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী এ ,এইচ ,এম , কামরুল হাসান রনী জানান, অনিয়ম করে কেউ কাজের ফাইনাল বিল পাবেন না। বৃষ্টির কারণে যদি রাস্তার ক্ষতি হয়ে থাকে সেটির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )