উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এমদাদুল হক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. উম্মে কুলসুম বিউটি, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম, মেডিকেল অফিসার ডা. সিনতাজুল মনতাহার ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. বিলকিস বেগম, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আরিফুল ইসলাম ও প্রেসক্লাব রাজারহাট’র সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস প্রমুখ।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে আগামী ১০ মে পর্যন্ত হামের টিকাদান কার্যক্রম চলবে। রাজারহাট উপজেলার ১৬৮টি অস্থায়ী কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচে বয়সী মোট ১৯ হাজার ৬১৭ জন শিশুকে হাম প্রতিরোধী টিকা প্রদান করা হবে। এছাড়া সরকারি ছুটির দিন ছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্থায়ী কেন্দ্রেও টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আরিফুল ইসলাম জানান, একটি ভায়াল থেকে সর্বোচ্চ ১০ জন শিশুকে টিকা দেওয়া সম্ভব হলেও কোনো শিশুকে বাদ না দিতে প্রয়োজনে একটি ভায়াল এক শিশুর ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হবে। খোলা ভায়াল ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।
এ উপজেলায় হাম প্রতিরোধ কার্যক্রম সফল করতে মোট ১ হাজার ৪০০ ভায়াল টিকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যা দিয়ে প্রায় ১৪ হাজার ডোজ প্রদান সম্ভব হবে।