1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির গুঞ্জন, অভিযুক্তর দাবী ফাঁসানো হচ্ছে | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন

মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির গুঞ্জন, অভিযুক্তর দাবী ফাঁসানো হচ্ছে

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • ২২ জন দেখেছেন
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার শরিফেরহাট হাজীপাড়া এলাকায় আয়শা সিদ্দিকা মহিলা মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীরকে শ্লীলতাহানির চাঞ্চল্যকর গুঞ্জন উঠেছে।
ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মাদ্রাসায় তড়িঘড়ি করে ছুটি ঘোষণা করে অভিযুক্ত শিক্ষক ও তার স্ত্রীর উধাও হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের দাবী তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
অভিযুক্ত মুহতামিমের নাম আজিজুল হক। তিনি উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের কুষ্টারী এলাকার বাসিন্দা।
জানা গেছে, অভিযুক্ত মুহতামিম আজিজুল হক তার স্ত্রীকে দিয়ে হাজিপাড়া আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) মহিলা হাফিজিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা করেন এবং আজিজুল হক ওই মাদ্রাসার মুহতামিম বলে জানা গেছে। এছাড়া আজিজুল হক ওই মাদ্রাসার পাশে আরেকটি মাদ্রাসার দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় ও বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, শরিফেরহাট হাজীপাড়া এলাকার ওই মাদ্রাসার মুহতামিম মাদ্রাসা পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন বলে এলাকায় গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি মাদ্রাসার অভ্যন্তরে জানাজানি হলে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
​অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর আইনি জটিলতা এড়াতে ও ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের তড়িঘড়ি করে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই অভিযুক্ত ওই শিক্ষক রহস্যজনকভাবে এলাকা থেকে আত্মগোপন করেন।
বুধবার (১৭ জুন) সরেজমিনে ওই মাদ্রাসায় গিয়ে তালা বন্ধ অবস্থায় দেখা গেছে। এসময় স্থানীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা হলে বলেন, এলাকার মান সম্মান নষ্ট হবে জন্য তারা এবিষয়ে কথা বলছেন না। তবে ঘটনার কিছুটা সত্যতার কথা জানান ওই ব্যক্তি।
​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো পবিত্র জায়গায় এমন জঘন্য ঘটনার গুঞ্জন অত্যন্ত লজ্জাজনক। যদি ঘটনা সত্য হয়ে থাকে, তবে ছুটি দিয়ে বা পালিয়ে গিয়ে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
​এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আজিজুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। ওখানে ছোট একটি মেয়ে ছিল, ছবক দিতে আসছিল, ওর গায়ে হাত দিয়ে মার দিয়েছিলাম, বয়স ৮/৯ হবে।  এরপর ওই মেয়ে ওর বাড়িতে বিচার দিয়েছিল, হুজুর খারাপ জায়গায় মারছিল। পরে তার অভিভাবকদের সাথে বসে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছিল। কিন্তু পরে বিষয়টি বাইরে ছড়াছড়ি হয়। এখন সমাজের মানুষ বিষয়টি ভাল ভাবে না জেনে শুনে হামলা করে। পরে আমি চলে আসছি। এর আগেও মাদ্রাসা ভেঙে দেয়ার হুমকি দিয়েছিল স্থানীয়রা বলে তিনি জানান।
রমনা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, গত পরশুদিনের ঘটনা, ওরা স্বামী-স্ত্রী মাদ্রাসা চালায়। আর শিক্ষার্থীর সঙে শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটার পর মাদ্রাসা বন্ধ করে তারা চলে যায়। পরে শিক্ষক  আজিজুলের বাবা এসেছিল মিটিং হওয়ার কথা৷
আয়শা সিদ্দিকা বালিকা মাদ্রাসার সভাপতি আব্দুল হক বলেন, মাদ্রাসার মোহতামিম তার স্বামী সহ আমার বাসায় ভাড়া থাকেন। আমি লেখাপড়ার বিষয়ে এক শিক্ষার্থীকে থাপ্পড় দেয়ার ঘটনা শুনছিলাম। পরে সরেজমিনে গিয়ে অভিযুক্ত ওই হুজুর কে পাইনি পরে শুনলাম হুজুরের বাবা এসে মাদ্রাসা তালাবদ্ধ করে মোহতামিম সহ তার স্বামীকে নিয়ে গেছে। আমরা দুএকদিনের মধ্যে বসে এটার সমাধান করব।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )